ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বেইজিং সফরে তার সঙ্গে ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। অথচ রুবিওর বিরুদ্ধে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছিল চীন।
বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন ট্রাম্প। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রুবিওও।
তবে কীভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তিনি চীনে প্রবেশ করলেন—এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, চীন কৌশলী উপায়ে রুবিওর সফরের ব্যবস্থা করেছে। তাঁকে নতুন একটি চীনা নাম দিয়ে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেই দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
২০২০ সালে সিনেটর থাকাকালে রুবিওর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় চীন। একই তালিকায় ছিলেন মার্কিন সিনেটর টেড ক্রুজ-সহ আরও কয়েকজন কংগ্রেস সদস্য।
সে সময় হংকং ও মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়াং অঞ্চলে চীনের নীতির সমালোচনা করায় তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেয় বেইজিং। নিষেধাজ্ঞার আওতায় তাদের চীন সফরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় এসে রুবিওকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেন। ফলে প্রেসিডেন্টের চীন সফরে তাঁর অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সম্ভাব্য জটিলতার বিষয়টি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত মার্চে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে রুবিওর ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হতে পারে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























