রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবায় হয়রানির অভিযোগে সাতজন দালালকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ওমেদ আলী (২৬), রানা মিয়া (৩৪), রাজু মিয়া (৪০), বিপ্লব মিয়া (২৪), ফরহাদ হোসেন (৪২), আরাফাত হোসেন আপেল (২২) এবং মারুফ হোসেন (২৬)।
পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করে রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে নির্দিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে বাধ্য করত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করত।
রংপুর মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, নগরবাসীর নিরাপদ ও স্বাভাবিক সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
আরপিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ বলেন, রোগীদের জিম্মি করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে একই ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় দালাল চক্রের আরেক সদস্যকে আটক করে রংপুর মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল। পরে তাকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি বিভাগে ট্রলি ও সেবাকে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেটের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে জনবল সংকটসহ নানা কারণে এসব সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান।
তিনি বলেন, হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন, না হলে রোগী হয়রানি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়।
শু/সবা
রংপুর ব্যুরো: 





















