ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৬৫ জন নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজারের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সুইচ টিপে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সময় পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপস্থিত উপকারভোগীদের মোবাইলে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ পৌঁছে যায়।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। রিতা বর্মণ বলেন, মোবাইলে টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসেই এ সহায়তা পাবেন। এতে পরিবারের পুষ্টি ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটাতে সুবিধা হবে। বিধবা সাহারা বানু বলেন, স্বামীহীন সংসারে এই সহায়তা তার জন্য বড় উপকার বয়ে আনবে।
সাঁওতাল সম্প্রদায়ের গৃহবধূ অর্চনা রানী জানান, দুই সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালাতে কষ্ট হতো। ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ দিয়ে সন্তানদের শিক্ষার ব্যয় বহন করতে পারবেন।
পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জিবা আমিনা খান, পীরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের উন্নয়ন থামাতে পারবে না।
রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিএনপি দুর্নীতিমুক্তভাবে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছে।
পীরগঞ্জের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন বলেন, এটি সরকারের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ এবং ধীরে ধীরে সবাইকে এর আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।
সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জিবা আমিনা খান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে এবং পরিবারের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সমাজসেবা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে চতরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৮৫৫ জনকে নির্বাচন করলেও অগ্রাধিকার বিবেচনায় ৬৬৫ জনকে চূড়ান্তভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
শু/সবা
রংপুর ব্যুরো: 



















