০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাণ্ডারিয়ায় আওয়ামীলীগ অফিস ভাঙচুর মামলায় ,গ্রেপ্তার-৫

ককটেল বিস্ফোরণ  ,বিদেশী পিস্তল উদ্ধার 

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে ৮ টার দিকে আওয়ামীলীগ ও
জেপি মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ এর
শব্দ পাওয়া যায়। একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মঙ্গলবার রাতে পিরোজপুর-২ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে
মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজের সমর্থনে মিছিল এবং
জামায়াত শিবিরের হরতাল-আবরোধ প্রতিবাদে মিছিল চলছিল। এ সময় জেপি
নেতা কর্মীরা সভাশেষে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হলে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-
পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থলে
পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে
আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুর মামলায় জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক ও
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল, পৌর জাতীয় পার্টির সদস্য
সচিব আহসানুল কিবরিয়া ফরিদ মল্লিক, তারিকুজ্জামান সানিম, উপজেলা
জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ সরদার, পৌর ছাত্র সমাজের
আহবায়ক মাহাবুব শরীফ শুভ-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাবাদের পর
একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা
নিশ্চিত করে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুজ্জামান জানান,
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর মামলা সহ একাধিক মামলার গ্রেফতারি
পরোয়ানা জারি হলে আজ জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) ৫ জন আসামীকে আটক
করেছে ডিবি ও থানা পুলিশ। এসময় একটি বিদেশি পিস্তল সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টার ঘটনায় জড়িত
থাকা ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের মাদক সম্রাট একাধিক মামলার আসামী যুব
সংহতি নেতা মনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তিনি
ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো.
মাহিবুল হোসেন মাহিম জানান, আমরা জাতীয় পার্টি জেপির চেয়ারম্যান
আনোয়ার মঞ্জুর মনোনয়ন পত্র দাখিল ও তার দোয়া মোনাজাতের জন্য প্রস্তুতি মূলক
সভাশেষে দলীয় অফিস থেকে বের হওয়ার পরে আমাদের নেতা কর্মীকে পুলিশ ঘিরে
রাখে। এ সময় আমাদের বেশ কিছু নেতা কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। ককটেল
বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। কে বা কারা এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা আমি জানিনা
এবং বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনাও তার জানা নেই। উপজেলা
আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন লিটন পেশকার বলেন,
জাতীয় পার্টির কর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামালা চালায় এবং গুলি বর্ষণ
করে। পিরোজপুর পুলিশ সুপার মো. সফিউর রহমান জানান, জাতীয় পার্টি জেপির
নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত: চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় দক্ষিণ শিয়াকাঠী মেডিকেল মোড়ে
আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুর করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর
করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

ভাণ্ডারিয়ায় আওয়ামীলীগ অফিস ভাঙচুর মামলায় ,গ্রেপ্তার-৫

আপডেট সময় : ০১:১০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

ককটেল বিস্ফোরণ  ,বিদেশী পিস্তল উদ্ধার 

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে ৮ টার দিকে আওয়ামীলীগ ও
জেপি মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ এর
শব্দ পাওয়া যায়। একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মঙ্গলবার রাতে পিরোজপুর-২ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে
মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজের সমর্থনে মিছিল এবং
জামায়াত শিবিরের হরতাল-আবরোধ প্রতিবাদে মিছিল চলছিল। এ সময় জেপি
নেতা কর্মীরা সভাশেষে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হলে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-
পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থলে
পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে
আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুর মামলায় জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক ও
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল, পৌর জাতীয় পার্টির সদস্য
সচিব আহসানুল কিবরিয়া ফরিদ মল্লিক, তারিকুজ্জামান সানিম, উপজেলা
জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ সরদার, পৌর ছাত্র সমাজের
আহবায়ক মাহাবুব শরীফ শুভ-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাবাদের পর
একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা
নিশ্চিত করে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুজ্জামান জানান,
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর মামলা সহ একাধিক মামলার গ্রেফতারি
পরোয়ানা জারি হলে আজ জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) ৫ জন আসামীকে আটক
করেছে ডিবি ও থানা পুলিশ। এসময় একটি বিদেশি পিস্তল সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টার ঘটনায় জড়িত
থাকা ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের মাদক সম্রাট একাধিক মামলার আসামী যুব
সংহতি নেতা মনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তিনি
ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো.
মাহিবুল হোসেন মাহিম জানান, আমরা জাতীয় পার্টি জেপির চেয়ারম্যান
আনোয়ার মঞ্জুর মনোনয়ন পত্র দাখিল ও তার দোয়া মোনাজাতের জন্য প্রস্তুতি মূলক
সভাশেষে দলীয় অফিস থেকে বের হওয়ার পরে আমাদের নেতা কর্মীকে পুলিশ ঘিরে
রাখে। এ সময় আমাদের বেশ কিছু নেতা কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। ককটেল
বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। কে বা কারা এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা আমি জানিনা
এবং বিদেশী পিস্তল উদ্ধার সহ ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনাও তার জানা নেই। উপজেলা
আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন লিটন পেশকার বলেন,
জাতীয় পার্টির কর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামালা চালায় এবং গুলি বর্ষণ
করে। পিরোজপুর পুলিশ সুপার মো. সফিউর রহমান জানান, জাতীয় পার্টি জেপির
নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত: চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় দক্ষিণ শিয়াকাঠী মেডিকেল মোড়ে
আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুর করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর
করা হয়।