কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ৩ মাস ২০ দিন পর এবার ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে মিলেছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গহনাও। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো টাকা গণনার কাজ চলছে। টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদের মাদ্রাসার ১১২ ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে মসজিদের নয়টি দানবাক্স খোলা হয়। ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদে আটটি দানবাক্স থাকলেও দানের পরিমাণ বাড়ায় আরও একটি দানবাক্স বাড়ানো হয়েছিল। এখন পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সংখ্যা নয়টি।
জানা যায় সবশেষ ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ২৩ বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গহনা ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল।’ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৩০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।






















