০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চূড়ান্ত হলো জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা

‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা, ২০২৩’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবা বাংলাদেশে খুবই ভালো একটি ক্ষেত্র। এরই মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবায় আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবা করে। স্বেচ্ছাসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে কাজ করছে। তাদের কাজকে সহযোগিতা করার জন্য, তাদের কীভাবে আরও উৎসাহিত করা যায় সেগুলো নিশ্চিত করার জন্য এ নীতিমালা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। তাদের প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। তাদের ছবিসহ আইডি কার্ড থাকবে। তাদের সুরক্ষা দিতে হবে। কাজ করতে গিয়ে তারা যদি আইনি কোনো সমস্যায় পড়েন সেখানেও তাদের সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কাউন্সিল হবে।
বিশ্বে স্বেচ্ছাসেবকদের চাহিদা রয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকরা যাতে বিভিন্ন দেশে কাজ করতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষিত করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারেন তাদের উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। স্কাউট, বিএনসিসি, গার্লস গাইডের মাধ্যমে যেসব কাজ করা হয়, সেগুলোকে স্বীকৃতি দিতে বলা হয়েছে। যারা ভালো কাজ করবে তাদের জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

চূড়ান্ত হলো জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা, ২০২৩’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবা বাংলাদেশে খুবই ভালো একটি ক্ষেত্র। এরই মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবায় আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবা করে। স্বেচ্ছাসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে কাজ করছে। তাদের কাজকে সহযোগিতা করার জন্য, তাদের কীভাবে আরও উৎসাহিত করা যায় সেগুলো নিশ্চিত করার জন্য এ নীতিমালা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। তাদের প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। তাদের ছবিসহ আইডি কার্ড থাকবে। তাদের সুরক্ষা দিতে হবে। কাজ করতে গিয়ে তারা যদি আইনি কোনো সমস্যায় পড়েন সেখানেও তাদের সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কাউন্সিল হবে।
বিশ্বে স্বেচ্ছাসেবকদের চাহিদা রয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকরা যাতে বিভিন্ন দেশে কাজ করতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষিত করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারেন তাদের উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। স্কাউট, বিএনসিসি, গার্লস গাইডের মাধ্যমে যেসব কাজ করা হয়, সেগুলোকে স্বীকৃতি দিতে বলা হয়েছে। যারা ভালো কাজ করবে তাদের জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।