০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী মেয়ে নিয়ে দিশেহারা বিধবা মা আলো বৈরাগী।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চরকুশলি গ্রামের বাসিন্দা আলো বৈরাগী প্রতিবন্ধী  কন্যা সন্তান নিয়ে চরম দুঃখ-কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছেন বিধবা আলো বৈরাগী । পরিবারের ২ সন্তানের মধ্যে  ১ সন্তানই দৃষ্টি, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। স্বামীহারা সংসারে প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে একদিকে দিশেহারা অন্যদিকে বেঁচে থাকার জীবন সংগ্রামে লড়ছেন ষাটোর্ধ্ব বয়সী অসহায় মা আলো বৈরাগী ।
বলছি প্রতিবন্ধী মেয়ের কথা।

সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আলো বৈরাগীর স্বামী পুন্নু বৈরাগী  বেশ কয়েক বছর আগেই মারা গেছেন। এরপর থেকেই আলো বৈরাগী  প্রতিবন্ধী মেয়ে সহ ছোট এক ছেলে সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লড়াই শুরু করেন। এভাবে আর পারছেন না। হাঁপিয়ে ওঠেছেন সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে। বসত ঘরটিও ভেঙে পড়ে পড়ে অবস্থা। চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন অসহায় আলো বৈরাগী । স্থানীয় প্রশাসক,  চেয়ারম্যান, মেম্বারদের সহায়তা চেয়েছেন আলো বৈরাগী ।

জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধী আলো বৈরাগী এক কন্যা সন্তান। তাদের চিকিৎসা না করাতে পারলেও কবিরাজি ঝাড়-ফুকের কোন কমতি ছিল না। কিন্তু মা আলো বৈরাগী সে অনেক কষ্ট করে সন্তানদের খাবার জোগান। তার সন্তানের কোন একটা প্রতিবন্ধী কার্ড নেই। তুবও সে মানুষের কাজে সহয়তা করে টাকা উপার্জন করেন।

প্রতিবন্ধীর মা আলো বৈরাগী  জানান, একটি স্বাভাবিক সন্তান মানুষ করতে খুব কষ্ট করতে হয়। কিন্তু  প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে যে মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

তিনি আরো জানান,  তার ছোট্ট একটা ছেলে মানুষের জমিতে কৃষি কাজ করে  রোজগারের টাকায় ওর ওষুধ, সংসারের খরচ কোনভাবে মেটে না, ঠিকমতো খাবার জুটছে না। তাদের তিন বেলা খাবার দেয়া আলো বৈরাগীর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে বসত ঘরের অবস্থা এতোটাই করুণ, এটাতে বসবাস করাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরের চালা দিয়ে একটু বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে ঘরে।

স্থানীয় , প্রশাসন ও চেয়ারম্যান, মেম্বাররা এগিয়ে এলে  প্রতিবন্ধী মেয়ে  নিয়ে একটু ভালো থাকতে পারবো। আর বসত ঘরটা মেরামত করে দিলে থাকার জন্য ঠাঁই মিলবে। প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান ও সংসার চালানোর লড়াইয়ে আর পেরে ওঠছেন না অসহায় আলো বৈরাগী ।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী মেয়ে নিয়ে দিশেহারা বিধবা মা আলো বৈরাগী।

আপডেট সময় : ০৪:২২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চরকুশলি গ্রামের বাসিন্দা আলো বৈরাগী প্রতিবন্ধী  কন্যা সন্তান নিয়ে চরম দুঃখ-কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছেন বিধবা আলো বৈরাগী । পরিবারের ২ সন্তানের মধ্যে  ১ সন্তানই দৃষ্টি, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। স্বামীহারা সংসারে প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে একদিকে দিশেহারা অন্যদিকে বেঁচে থাকার জীবন সংগ্রামে লড়ছেন ষাটোর্ধ্ব বয়সী অসহায় মা আলো বৈরাগী ।
বলছি প্রতিবন্ধী মেয়ের কথা।

সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আলো বৈরাগীর স্বামী পুন্নু বৈরাগী  বেশ কয়েক বছর আগেই মারা গেছেন। এরপর থেকেই আলো বৈরাগী  প্রতিবন্ধী মেয়ে সহ ছোট এক ছেলে সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লড়াই শুরু করেন। এভাবে আর পারছেন না। হাঁপিয়ে ওঠেছেন সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে। বসত ঘরটিও ভেঙে পড়ে পড়ে অবস্থা। চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন অসহায় আলো বৈরাগী । স্থানীয় প্রশাসক,  চেয়ারম্যান, মেম্বারদের সহায়তা চেয়েছেন আলো বৈরাগী ।

জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধী আলো বৈরাগী এক কন্যা সন্তান। তাদের চিকিৎসা না করাতে পারলেও কবিরাজি ঝাড়-ফুকের কোন কমতি ছিল না। কিন্তু মা আলো বৈরাগী সে অনেক কষ্ট করে সন্তানদের খাবার জোগান। তার সন্তানের কোন একটা প্রতিবন্ধী কার্ড নেই। তুবও সে মানুষের কাজে সহয়তা করে টাকা উপার্জন করেন।

প্রতিবন্ধীর মা আলো বৈরাগী  জানান, একটি স্বাভাবিক সন্তান মানুষ করতে খুব কষ্ট করতে হয়। কিন্তু  প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে যে মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

তিনি আরো জানান,  তার ছোট্ট একটা ছেলে মানুষের জমিতে কৃষি কাজ করে  রোজগারের টাকায় ওর ওষুধ, সংসারের খরচ কোনভাবে মেটে না, ঠিকমতো খাবার জুটছে না। তাদের তিন বেলা খাবার দেয়া আলো বৈরাগীর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে বসত ঘরের অবস্থা এতোটাই করুণ, এটাতে বসবাস করাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরের চালা দিয়ে একটু বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে ঘরে।

স্থানীয় , প্রশাসন ও চেয়ারম্যান, মেম্বাররা এগিয়ে এলে  প্রতিবন্ধী মেয়ে  নিয়ে একটু ভালো থাকতে পারবো। আর বসত ঘরটা মেরামত করে দিলে থাকার জন্য ঠাঁই মিলবে। প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান ও সংসার চালানোর লড়াইয়ে আর পেরে ওঠছেন না অসহায় আলো বৈরাগী ।