১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বদলগাছীতে গণভোটের প্রচার

সারাদেশের ন্যায় নওগাঁর বদলগাছী উপজেলাতেও গণভোটের পক্ষে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলছে। ‘গণভোট ২০২৬—সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে’ শীর্ষক বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রচারে জানানো হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। প্রচারপত্র ও প্রচারণায় যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হচ্ছে, সেগুলো হলো—
১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি ও বিরোধী দল যৌথভাবে কাজ করবে।
২. সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে।
৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫. কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাবে।
৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮. বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯. নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারিত হবে, যেমন— ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা যাবে না।
১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা হবে।

প্রচারণায় বলা হয়, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে, আর ‘না’ ভোট দিলে এসব পরিবর্তন কার্যকর হবে না। পরিবর্তনের চাবিকাঠি এবার জনগণের হাতেই— এমন বার্তাই দেওয়া হচ্ছে প্রচারে।

এই জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, ঢাকা। এতে সহযোগিতা করছে জেলা পরিষদ নওগাঁর প্রশাসক কার্যালয়।

শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

যুব বিশ্বকাপে কাল ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

বদলগাছীতে গণভোটের প্রচার

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সারাদেশের ন্যায় নওগাঁর বদলগাছী উপজেলাতেও গণভোটের পক্ষে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলছে। ‘গণভোট ২০২৬—সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে’ শীর্ষক বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রচারে জানানো হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। প্রচারপত্র ও প্রচারণায় যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হচ্ছে, সেগুলো হলো—
১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি ও বিরোধী দল যৌথভাবে কাজ করবে।
২. সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে।
৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫. কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাবে।
৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮. বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯. নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারিত হবে, যেমন— ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা যাবে না।
১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা হবে।

প্রচারণায় বলা হয়, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে, আর ‘না’ ভোট দিলে এসব পরিবর্তন কার্যকর হবে না। পরিবর্তনের চাবিকাঠি এবার জনগণের হাতেই— এমন বার্তাই দেওয়া হচ্ছে প্রচারে।

এই জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, ঢাকা। এতে সহযোগিতা করছে জেলা পরিষদ নওগাঁর প্রশাসক কার্যালয়।

শু/সবা