১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাইকগাছায় বাল্য বিবাহের আয়োজন করায় কনের পিতাকে জরিমানা

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহের আয়োজন করায় কনের পিতাকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী মুহম্মদ আল আমিন।
জানাগেছে, শুক্রবার বিকালে উপজেলার  কপিলমুনি ইউনিয়নের কাশিমনগর গ্রামের আমিরুল মোড়ল তার ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে পার্শ্ববর্তী রামনগর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে খায়রুল ইসলামের সাথে অবৈধ ভাবে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহের আয়োজন করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ আল আমিন সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ থেকে শিশুটিকে রক্ষা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে মেয়ের পিতাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন, আনসার কমান্ডার আবু হানিফ, ইউনিয়ন লিডার মোঃ ফয়সাল হোসেন এবং থানা পুলিশ।
উপস্থিত সকলের সামনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের কোনো বৈধতা নেই। মেয়েটিকে স্কুলে ভর্তি করে তার লেখাপড়া চালিয়ে যান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে বরপক্ষের লোকজন আগেই পালিয়ে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

পাইকগাছায় বাল্য বিবাহের আয়োজন করায় কনের পিতাকে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহের আয়োজন করায় কনের পিতাকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী মুহম্মদ আল আমিন।
জানাগেছে, শুক্রবার বিকালে উপজেলার  কপিলমুনি ইউনিয়নের কাশিমনগর গ্রামের আমিরুল মোড়ল তার ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে পার্শ্ববর্তী রামনগর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে খায়রুল ইসলামের সাথে অবৈধ ভাবে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহের আয়োজন করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ আল আমিন সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ থেকে শিশুটিকে রক্ষা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে মেয়ের পিতাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন, আনসার কমান্ডার আবু হানিফ, ইউনিয়ন লিডার মোঃ ফয়সাল হোসেন এবং থানা পুলিশ।
উপস্থিত সকলের সামনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের কোনো বৈধতা নেই। মেয়েটিকে স্কুলে ভর্তি করে তার লেখাপড়া চালিয়ে যান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে বরপক্ষের লোকজন আগেই পালিয়ে যায়।