০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কুয়াশার চাদরে ঢাকা লালমনিরহাট 

কনকনে ঠান্ডায় জুবুথুবু জেলার মানুষ

গতচার দিনে সুর্যের দেখা মিলেনি লালমনিরহাটের মানুষের।ঘন কুয়াশার চাদরে আদলে ঢাকা লালমনিরহাটের ৫ জেলার মানুষের জীবন যাত্রা মারাত্বক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে।শনিবার লালমনিরহাটের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।কনকনে ঠান্ডা,হিমেল বাতাস,ঘন কুয়াশা আর সুর্যের দেখা না মেলার অবস্থা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে জেলার পার্শ্ববর্তি উপজেলা কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা  মোঃ জাকির হোসেন।
হিমালয়ের একেবারই খুব কাছাকাছি লালমনিরহাট সীমান্ত জেলা অবস্থিত হওয়ায় কারনে শীতকালীন সময়ে এর প্রভাবও এজেলাতেও।
বিরাজমাল শীতের কারনে জেলাবাসী স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হলেও মারাত্বক দুর্বিসহ অবস্থায় পড়েছে বয়োবৃদ্ধ,শিশু,শ্রমবিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা ব্যাপক জনগোষ্ঠী।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে গত তিন দিনে ঠান্ডাজনিত আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছে শিশু সহ দুই শতাধিক মাবুষ।তবে অনেকেরই অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শতাধিক রোগি সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও শিশু বিভাগে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।আবার অনেকেই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিলেও চিকিৎসকের পরামর্শে সময় মতো এসে হাসপাতালে এসে গ্যাস নেয়া নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ তপন কুমার।লালমনিরহাট সিভিল সার্জন নির্মদেন্দু রায় প্রয়োজন ছাড়া বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের বাইরে না যাবার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে ভৌগলিক ও গঠনিক কারনে সারা দেশের জেলাগুলো থেকে লালমনিরহাট জেলাটিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।জেলার ঠিক মাঝামাঝি অবস্থান হয়ে প্রায় ১শত কিলোমিটার তিস্তা নদী জেলার বুক চিরে মিলিত হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার ব্রক্ষ্মপুত্র নদে।সে কারনে জেলার চর ও দ্বীপ চরের সংখ্যা ৬৩টি।তিস্তা নদীর চর ও দ্বীপচরে বসবাস করা মানুষেদের ঠান্ডায় নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।হিমেল বাতাস,ঘন কুয়াশার প্রভাবে তারা বেসাল অবস্থা পার করছেন।
লালমনিরহাট জেলা শহর ও শহরের উপকন্ঠে রাস্তার পাশেই বসেছ অনেক গরম কাপড়ের দোকান।এসব দোকানে খদ্দেরদের ভীর লক্ষনীয়।শহরের বিডিআর গেটস্থ গরম কাপড় ব্যবসায়ী আবু বক্কর জানান চলতি শীতের মৌসমে যে ব্যবসা হয়নি তা গত ৪/৫ দিনে করেছি।তবে তিনি আরো জানান সল্পমুল্যে নিম্ন ও মধ্যো বিত্তদের শিত নিবারনে গরম কাপড় সরবরাহ দিতে পেরে তারোও অনেকটা ভালই লেগেছে।
এরই মধ্যে বিজিবি ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এর পক্ষ থেকে কম্বল বিতরন করা হয়েছে শীতার্তদের মাঝে। যা প্রয়োজনের তুলনায় খবই অপ্রতুল।লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ জানান গত তিন দিনে প্রায় ২৬ হাজার কম্বোল বিতরন করা হয়েছে।আরো ৪০ হাজারের চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের সংশিলিষ্ঠ দপ্তরে।
সুর্যের দেখা না মেলা আর কুয়াশার কারনে সকাল দুপুর আর বিকেলের কোন পার্থক্য বুঝে উঠা মুসকিল হয়ে পড়েছে।অনেকেই লাইট জ্বালিয়ে চালাচ্ছেন বিভিন্ন যানবাহন।শহরে লোক জনের উপস্থিতি খুবই কম।আয়ের হিসাবে বেকায়দায় পড়েছে অটো রিক্সা ভ্যান ও ত্রীরি হুইলার চালকরা।তারা অনেকটাই এরই মধ্যে পড়েছে আর্থিক সংকটে।
এঅবস্থা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মারাত্ব বিপর্যে পড়বে লালমনিরহাটের পাচ উপজেলার মানুষ।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

কুয়াশার চাদরে ঢাকা লালমনিরহাট 

কনকনে ঠান্ডায় জুবুথুবু জেলার মানুষ

আপডেট সময় : ০৬:৫১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
গতচার দিনে সুর্যের দেখা মিলেনি লালমনিরহাটের মানুষের।ঘন কুয়াশার চাদরে আদলে ঢাকা লালমনিরহাটের ৫ জেলার মানুষের জীবন যাত্রা মারাত্বক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে।শনিবার লালমনিরহাটের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।কনকনে ঠান্ডা,হিমেল বাতাস,ঘন কুয়াশা আর সুর্যের দেখা না মেলার অবস্থা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে জেলার পার্শ্ববর্তি উপজেলা কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা  মোঃ জাকির হোসেন।
হিমালয়ের একেবারই খুব কাছাকাছি লালমনিরহাট সীমান্ত জেলা অবস্থিত হওয়ায় কারনে শীতকালীন সময়ে এর প্রভাবও এজেলাতেও।
বিরাজমাল শীতের কারনে জেলাবাসী স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হলেও মারাত্বক দুর্বিসহ অবস্থায় পড়েছে বয়োবৃদ্ধ,শিশু,শ্রমবিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা ব্যাপক জনগোষ্ঠী।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে গত তিন দিনে ঠান্ডাজনিত আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছে শিশু সহ দুই শতাধিক মাবুষ।তবে অনেকেরই অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শতাধিক রোগি সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও শিশু বিভাগে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।আবার অনেকেই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিলেও চিকিৎসকের পরামর্শে সময় মতো এসে হাসপাতালে এসে গ্যাস নেয়া নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ তপন কুমার।লালমনিরহাট সিভিল সার্জন নির্মদেন্দু রায় প্রয়োজন ছাড়া বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের বাইরে না যাবার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে ভৌগলিক ও গঠনিক কারনে সারা দেশের জেলাগুলো থেকে লালমনিরহাট জেলাটিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।জেলার ঠিক মাঝামাঝি অবস্থান হয়ে প্রায় ১শত কিলোমিটার তিস্তা নদী জেলার বুক চিরে মিলিত হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার ব্রক্ষ্মপুত্র নদে।সে কারনে জেলার চর ও দ্বীপ চরের সংখ্যা ৬৩টি।তিস্তা নদীর চর ও দ্বীপচরে বসবাস করা মানুষেদের ঠান্ডায় নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।হিমেল বাতাস,ঘন কুয়াশার প্রভাবে তারা বেসাল অবস্থা পার করছেন।
লালমনিরহাট জেলা শহর ও শহরের উপকন্ঠে রাস্তার পাশেই বসেছ অনেক গরম কাপড়ের দোকান।এসব দোকানে খদ্দেরদের ভীর লক্ষনীয়।শহরের বিডিআর গেটস্থ গরম কাপড় ব্যবসায়ী আবু বক্কর জানান চলতি শীতের মৌসমে যে ব্যবসা হয়নি তা গত ৪/৫ দিনে করেছি।তবে তিনি আরো জানান সল্পমুল্যে নিম্ন ও মধ্যো বিত্তদের শিত নিবারনে গরম কাপড় সরবরাহ দিতে পেরে তারোও অনেকটা ভালই লেগেছে।
এরই মধ্যে বিজিবি ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এর পক্ষ থেকে কম্বল বিতরন করা হয়েছে শীতার্তদের মাঝে। যা প্রয়োজনের তুলনায় খবই অপ্রতুল।লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ জানান গত তিন দিনে প্রায় ২৬ হাজার কম্বোল বিতরন করা হয়েছে।আরো ৪০ হাজারের চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের সংশিলিষ্ঠ দপ্তরে।
সুর্যের দেখা না মেলা আর কুয়াশার কারনে সকাল দুপুর আর বিকেলের কোন পার্থক্য বুঝে উঠা মুসকিল হয়ে পড়েছে।অনেকেই লাইট জ্বালিয়ে চালাচ্ছেন বিভিন্ন যানবাহন।শহরে লোক জনের উপস্থিতি খুবই কম।আয়ের হিসাবে বেকায়দায় পড়েছে অটো রিক্সা ভ্যান ও ত্রীরি হুইলার চালকরা।তারা অনেকটাই এরই মধ্যে পড়েছে আর্থিক সংকটে।
এঅবস্থা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মারাত্ব বিপর্যে পড়বে লালমনিরহাটের পাচ উপজেলার মানুষ।