চুয়াডাঙ্গার গলাইদড়ি সেতুর নাম পরিবর্তন করে শেখ রাসেল সেতু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। গত রোববার (২১ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় এ সেতুর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা।
এর আগে গত বছরের ১৯ অক্টোবর সারাদেশে ১৫০টি সেতু ও মহাসড়কের ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় চুয়াডাঙ্গার গলাইদড়ি সেতুর নাম উল্লেখ করে তিনি হেসে ওঠেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই নামটি কিন্তু অদ্ভুত নাম, চুয়াডাঙ্গাতে গলাইদড়ি সেতু। এই নামটা বদলে দিতে হবে। চুয়াডাঙ্গায় গলাইদড়ি সেতু। এই নামটি আমরা বদলে দিব।’
এরপরই আলোচনায় উঠে আসে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার গলাইদড়ি সেতু। নাম পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয়রা পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত দিতে থাকেন। সোস্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে কয়েকদিন।
কথিত আছে, ব্রিটিশ শাসনামলে রুদ্র রায় নামে এক ব্যক্তি এই গ্রামের নদীর পাশে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। এরপর থেকেই ওই জায়গাটি গলাইদড়ি ঘাট নামে পরিচিত। আর ওই ঘাটে থাকা লোহার সেতুটিকে সবাই ‘গলাইদড়ি সেতু’ নামে চেনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলাইদড়ি সেতুটির অবস্থান দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের প্রতাবপুর গ্রামে। সেতুর বিপরীত প্রান্তে প্রান্তে রয়েছে একই উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের রুদ্রনগর গ্রাম। ১৯৯৫ সালে ২৫ অক্টোবর লোহার সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। কয়েকবার সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে জোড়াতালি দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে তোলে স্থানীয় সরকার বিভাগ।বর্তমানে সেতুটি চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়লে এই সেতুর পাশেই দৃষ্টিনন্দন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। গত বছরের ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গলাইদড়ি নতুন সেতুটি উদ্বোধন করেন।
স/ম





















