০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসআই পরিচয়ে ৯ বিয়ের পর বগুড়ায় গ্রেপ্তার

পুলিশের এসআই পরিচয়ে বিভিন্ন এলাকায় ৯ টি বিয়ে করেন নাজমুল হক(৩০)। নিজ জেলায় ৫ টি এবং বগুড়ার মোকামতলা এলাকায় আরও ৪ টি বিয়ে করে যৌতুক হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। মোবাইলে পুলিশের পোষাক পড়া ছবি দেখিয়ে ভয় ভীতিও দেখাতেন অনেককে। অবশেষে পুলিশের হাতে আটক হন সেই নাজমুল। বগুড়ার শিবগঞ্জের ভরিয়া গ্রামে বাড়ি ভাড়া নিতে গিয়ে আটক হন তিনি। পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পরিচয় দেয়া নাজমুল হকের বাড়ি পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার ধোপাদহ গ্রামে। তিনি ঐ গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি)  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আশিক ইকবাল। এর আগে সোমবার রাতে মোকামতলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ভরিয়া গ্রামে ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখের বাড়িতে যান নাজমুল হক। এসময় তিনি নিজেকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় কর্মরত এসআই পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিতে চান। এতে সন্দেহ হলে বাসা ফাঁকা নাই বলে তাকে জানিয়ে দেন ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখ। পুলিশ পরিচয় দেয়া নাজমুল মঞ্জু শেখের ফোন নাম্বার নিয়ে চলে যান। এরপর বিকেলে ফোন করে মন্জু শেখের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার চান। এতে মঞ্জু শেখের সন্দেহ হলে বিষয়টি মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানান।
পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে নাজমুল হক নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের পরিচয় দিয়ে মোকামতলা এলাকায় ইতোপূর্বে ৪ টি বিয়ে করেছে। বিয়ের পর কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপন করেছিলো। এছাড়াও পুলিশ পরিচয়ে বিভিন্ন জনের কাছে তদবিরের নামে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি। পরে সোমবার রাতে কৌশলে পুলিশ তাকে আটক করে।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিক ইকবাল সবুজ বাংলাকে জানান, নাজমুল হকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পুলিশের পোশাক পড়া একাধিক ছবি উদ্ধার করা হয়। এই ছবি গুলো দেখিয়ে তিনি মানুষের সাথে প্রতারনা করতেন। ভয় ভীতিও দেখাতেন।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানে জানাগেছে,নাজমুল হক পুলিশের এসআই পরিচয়ে তার এলাকাতেও আরো পাঁচটি বিয়ে করেছে। এছাড়া মোকামতলা এলাকায় ৪ টি বিয়ে করেছে। তাঁকে আটকের পর ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখ বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।
স/মিফা
জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

এসআই পরিচয়ে ৯ বিয়ের পর বগুড়ায় গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:০৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪
পুলিশের এসআই পরিচয়ে বিভিন্ন এলাকায় ৯ টি বিয়ে করেন নাজমুল হক(৩০)। নিজ জেলায় ৫ টি এবং বগুড়ার মোকামতলা এলাকায় আরও ৪ টি বিয়ে করে যৌতুক হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। মোবাইলে পুলিশের পোষাক পড়া ছবি দেখিয়ে ভয় ভীতিও দেখাতেন অনেককে। অবশেষে পুলিশের হাতে আটক হন সেই নাজমুল। বগুড়ার শিবগঞ্জের ভরিয়া গ্রামে বাড়ি ভাড়া নিতে গিয়ে আটক হন তিনি। পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পরিচয় দেয়া নাজমুল হকের বাড়ি পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার ধোপাদহ গ্রামে। তিনি ঐ গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি)  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আশিক ইকবাল। এর আগে সোমবার রাতে মোকামতলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ভরিয়া গ্রামে ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখের বাড়িতে যান নাজমুল হক। এসময় তিনি নিজেকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় কর্মরত এসআই পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিতে চান। এতে সন্দেহ হলে বাসা ফাঁকা নাই বলে তাকে জানিয়ে দেন ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখ। পুলিশ পরিচয় দেয়া নাজমুল মঞ্জু শেখের ফোন নাম্বার নিয়ে চলে যান। এরপর বিকেলে ফোন করে মন্জু শেখের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার চান। এতে মঞ্জু শেখের সন্দেহ হলে বিষয়টি মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানান।
পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে নাজমুল হক নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের পরিচয় দিয়ে মোকামতলা এলাকায় ইতোপূর্বে ৪ টি বিয়ে করেছে। বিয়ের পর কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপন করেছিলো। এছাড়াও পুলিশ পরিচয়ে বিভিন্ন জনের কাছে তদবিরের নামে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি। পরে সোমবার রাতে কৌশলে পুলিশ তাকে আটক করে।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিক ইকবাল সবুজ বাংলাকে জানান, নাজমুল হকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পুলিশের পোশাক পড়া একাধিক ছবি উদ্ধার করা হয়। এই ছবি গুলো দেখিয়ে তিনি মানুষের সাথে প্রতারনা করতেন। ভয় ভীতিও দেখাতেন।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানে জানাগেছে,নাজমুল হক পুলিশের এসআই পরিচয়ে তার এলাকাতেও আরো পাঁচটি বিয়ে করেছে। এছাড়া মোকামতলা এলাকায় ৪ টি বিয়ে করেছে। তাঁকে আটকের পর ইউপি সদস্য মঞ্জু শেখ বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।
স/মিফা