১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শান্তি সম্প্রিতির অনিন্দ সমাজ গঠনে সালাম

 

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। অর্থ : আপনার উপর আল্লাহর হমত ও

শান্তি বর্ষিত হউক।

* ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সালাম এক অন্যতম আবশ্যকীয়
পূর্বশর্ত। সালাম দেয়া সুন্নত এবং সালামের জবাবে ‘ওয়া অলাইকুমুস
সালাম’ বলা ওয়াজিব, বর্তমান সর্বোচ্চ আধুনিকতার যুগেও সাদর
সম্ভাষণের বেলায় সালামের চেয়ে উত্তম কোন সম্ভাষণ শব্দ বাক্য আবিস্কৃত
হয়নি। হযরত আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রসুলুলাহ্ধসঢ়;
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন ঐ ব্যক্তি আলাহ তায়ালার
রহমতের সবচেয়ে বেশী নিকটবর্তী যে প্রথম সালাম প্রথম দেয়। নবীজীকে
(সাঃ) কোন সাহাবী অনেক চেষ্টা করেও কোনদিন আগে সালাম দিতে পারেনি
বলে প্রমাণ রয়েছে (বায়হাকী) হযরত আবদুলাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত
বায়হাকীর ৮৭নং হাদীসে এসেছে আগে সালাম প্রদানকারী গর্ব অহংকার
হতে মুক্ত, সালাম হলো দুষ্ট ব্যধির প্রতিষেধক, তিবরানী কিতাবে যহরত আবু
হুরায়রা থেকে বর্নিত আছে , যে ব্যক্তি দিনে রাতে ২০ জন মুসলমানকে সালাম
করবে অতঃপর ঐ দিন যদি সে দুনিযা থেকে বিদায় নেয় তবে তার জন্য জান্নাত
ওয়াজিব। সালামের সময় হাত উঠানো মুলতঃ কোন ইসলামী প্রথা নয় যদিও
আজ মুসলমানরা এটা রেওয়াজে পরিণত করেছে, বস্তুতঃ এটা রাজশক্তির শসস্ত্র
বাহিনীর সামরিক আদব ছিল, ইসলামে বরং মুয়ানাকা এবং মুসাফাহার বিধান
এসেছে যাতে পরস্পরের উভয় হাত ধরে বলতে হবে ইয়াগফিরুলাহু লানা ওয়ালাকুম।
তবে সালামের সহীহ উচ্চারণ আমাদের সমাজে যেন আজ অনুপস্থিত
আধুনিকতায় ভীড়ে কে কত বিকৃত উচ্চারণ করতে পারে তা নিয়ে যেন চলছে
অসুস্থ প্রতিযোগিতা, যে উচ্চারণে আমরা সালাম দিতে পরিলক্ষিত হয়: যেমন
সামাইকুম, নিজের অজান্তেই তার অর্থ হয়ে যাচ্ছে ভয়াবহ। যার অর্থ আপনার
ধ্বংস হউক বা আপনার মৃত্যু হউক। আমাদের সহীহ উচ্চারণে সালাম দিতে হবে,
এই একটি আমলের মধ্য দিয়েই মহান আল্লাহ চাহেতো সমাজে শান্তির পরশ
বিরাজমান হতে হবে ইনশাআল্লাহ। গড়ে উঠবে সম্প্রিতির এক অনিন্দ সমাজ।

শান্তি সম্প্রিতির অনিন্দ সমাজ গঠনে সালাম

আপডেট সময় : ০২:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

 

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। অর্থ : আপনার উপর আল্লাহর হমত ও

শান্তি বর্ষিত হউক।

* ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সালাম এক অন্যতম আবশ্যকীয়
পূর্বশর্ত। সালাম দেয়া সুন্নত এবং সালামের জবাবে ‘ওয়া অলাইকুমুস
সালাম’ বলা ওয়াজিব, বর্তমান সর্বোচ্চ আধুনিকতার যুগেও সাদর
সম্ভাষণের বেলায় সালামের চেয়ে উত্তম কোন সম্ভাষণ শব্দ বাক্য আবিস্কৃত
হয়নি। হযরত আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রসুলুলাহ্ধসঢ়;
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন ঐ ব্যক্তি আলাহ তায়ালার
রহমতের সবচেয়ে বেশী নিকটবর্তী যে প্রথম সালাম প্রথম দেয়। নবীজীকে
(সাঃ) কোন সাহাবী অনেক চেষ্টা করেও কোনদিন আগে সালাম দিতে পারেনি
বলে প্রমাণ রয়েছে (বায়হাকী) হযরত আবদুলাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত
বায়হাকীর ৮৭নং হাদীসে এসেছে আগে সালাম প্রদানকারী গর্ব অহংকার
হতে মুক্ত, সালাম হলো দুষ্ট ব্যধির প্রতিষেধক, তিবরানী কিতাবে যহরত আবু
হুরায়রা থেকে বর্নিত আছে , যে ব্যক্তি দিনে রাতে ২০ জন মুসলমানকে সালাম
করবে অতঃপর ঐ দিন যদি সে দুনিযা থেকে বিদায় নেয় তবে তার জন্য জান্নাত
ওয়াজিব। সালামের সময় হাত উঠানো মুলতঃ কোন ইসলামী প্রথা নয় যদিও
আজ মুসলমানরা এটা রেওয়াজে পরিণত করেছে, বস্তুতঃ এটা রাজশক্তির শসস্ত্র
বাহিনীর সামরিক আদব ছিল, ইসলামে বরং মুয়ানাকা এবং মুসাফাহার বিধান
এসেছে যাতে পরস্পরের উভয় হাত ধরে বলতে হবে ইয়াগফিরুলাহু লানা ওয়ালাকুম।
তবে সালামের সহীহ উচ্চারণ আমাদের সমাজে যেন আজ অনুপস্থিত
আধুনিকতায় ভীড়ে কে কত বিকৃত উচ্চারণ করতে পারে তা নিয়ে যেন চলছে
অসুস্থ প্রতিযোগিতা, যে উচ্চারণে আমরা সালাম দিতে পরিলক্ষিত হয়: যেমন
সামাইকুম, নিজের অজান্তেই তার অর্থ হয়ে যাচ্ছে ভয়াবহ। যার অর্থ আপনার
ধ্বংস হউক বা আপনার মৃত্যু হউক। আমাদের সহীহ উচ্চারণে সালাম দিতে হবে,
এই একটি আমলের মধ্য দিয়েই মহান আল্লাহ চাহেতো সমাজে শান্তির পরশ
বিরাজমান হতে হবে ইনশাআল্লাহ। গড়ে উঠবে সম্প্রিতির এক অনিন্দ সমাজ।