১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বুটেক্সে এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বে সাংবাদিক হেনস্তা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের জেরে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায়  যায়যায়দিনের সাংবাদিক কাফি এবং হামলার শিকার হওয়া আসিফ ইকবাল প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল এবং একই বিভাগের তার সহপাঠী সৌরভ চৌহান ও যায়যায়দিনের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি আব্দুল্লাহিল কাফী ল্যাব শেষ করে ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে রসায়ন ল্যাবের সামনে কয়েকজন তাদের গতি রোধ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সাংবাদিক কাফী ঝামেলা না করে মিটমাটের কথা বললে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।
হামালার শিকার যায়যায়দিন-এর সাংবাদিক আব্দুল্লাহিল কাফী বলেন, আমি আর আসিফ এসিওয়াইএম ল্যাব শেষ করে ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে কেমিস্ট্রি ল্যাবের সামনে আসলে কয়েকজন আসিফের দিকে তেড়ে আসে। যার মধ্যে আলফায়েদ আকাশকে আমি চিনতাম এবং তাকে আমি ও আরেক সহপাঠী সৌরভ মারামারি না করতে অনুরোধ করি। এর মধ্যে কেউ একজন আমাকে ধাক্কা দিলে আমি ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ি। এরপর অনেকে মিলে আসিফকে বেধড়ক মারে। আমি পরবর্তীতে আটকাতে গেলে কয়েকজন পেছন থেকে আমার ওপর হামলা করে।
এই ঘটনা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী  বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের ফাহিম ও ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের আলিফ বলেন, আমি ক্লাস শেষ করে নিচে নামছিলাম। দেখি কাফীকে কয়েকজন পেছন থেকে আঘাত করছে যার মধ্যে তৌহিদ আলামিন ও  জোবায়ের মাহমুদ উপস্থিত ছিল।
হামালায় আহত হওয়া ৪৬ ব্যাচের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের  আসিফ বলেন, আমি, কাফী আর সৌরভ ল্যাব শেষ করে যাচ্ছিলাম। এরপরে কেমিস্ট্রি ল্যাবের সামনে আসলে আলফায়েদ আকাশ, নির্জন, দিপুসহ আর অনেকে আমার দিকে তেড়ে আসে। পরে কাফী ও সৌরভ তাদের আটকাতে গেলে তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। পরে আরেক সহপাঠী লিখন আটকাতে গেলে তার ওপরও হামলা করে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলফায়েদ আকাশকে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেয়ে কল কেটে দেয় এবং পরবর্তীতে আর ফোন ধরেনি। আরেক অভিযুক্ত ইশরাক জাহান দিপুর সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
ক্যাম্পাসে মারামারি এবং সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় প্রক্টর ড.উম্মুল খায়ের ফাতেমা সবুজ বাংলাকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে অবগত হয়েছি এবং এরকম এলাকা ইস্যু নিয়ে মারামারি করা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে ভিকটিমের পক্ষ থেকে, দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা  প্রশাসনকে অবগত করেছি, পরবর্তীতে আর এরকম কিছু  ঘটনা,  যাতে না ঘটে  আমরা সে বিষয়ে সর্তক অবস্থানে আছি।
স/মিফা

বুটেক্সে এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বে সাংবাদিক হেনস্তা

আপডেট সময় : ০৮:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের জেরে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায়  যায়যায়দিনের সাংবাদিক কাফি এবং হামলার শিকার হওয়া আসিফ ইকবাল প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল এবং একই বিভাগের তার সহপাঠী সৌরভ চৌহান ও যায়যায়দিনের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি আব্দুল্লাহিল কাফী ল্যাব শেষ করে ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে রসায়ন ল্যাবের সামনে কয়েকজন তাদের গতি রোধ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সাংবাদিক কাফী ঝামেলা না করে মিটমাটের কথা বললে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।
হামালার শিকার যায়যায়দিন-এর সাংবাদিক আব্দুল্লাহিল কাফী বলেন, আমি আর আসিফ এসিওয়াইএম ল্যাব শেষ করে ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে কেমিস্ট্রি ল্যাবের সামনে আসলে কয়েকজন আসিফের দিকে তেড়ে আসে। যার মধ্যে আলফায়েদ আকাশকে আমি চিনতাম এবং তাকে আমি ও আরেক সহপাঠী সৌরভ মারামারি না করতে অনুরোধ করি। এর মধ্যে কেউ একজন আমাকে ধাক্কা দিলে আমি ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ি। এরপর অনেকে মিলে আসিফকে বেধড়ক মারে। আমি পরবর্তীতে আটকাতে গেলে কয়েকজন পেছন থেকে আমার ওপর হামলা করে।
এই ঘটনা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী  বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের ফাহিম ও ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের আলিফ বলেন, আমি ক্লাস শেষ করে নিচে নামছিলাম। দেখি কাফীকে কয়েকজন পেছন থেকে আঘাত করছে যার মধ্যে তৌহিদ আলামিন ও  জোবায়ের মাহমুদ উপস্থিত ছিল।
হামালায় আহত হওয়া ৪৬ ব্যাচের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের  আসিফ বলেন, আমি, কাফী আর সৌরভ ল্যাব শেষ করে যাচ্ছিলাম। এরপরে কেমিস্ট্রি ল্যাবের সামনে আসলে আলফায়েদ আকাশ, নির্জন, দিপুসহ আর অনেকে আমার দিকে তেড়ে আসে। পরে কাফী ও সৌরভ তাদের আটকাতে গেলে তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। পরে আরেক সহপাঠী লিখন আটকাতে গেলে তার ওপরও হামলা করে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলফায়েদ আকাশকে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেয়ে কল কেটে দেয় এবং পরবর্তীতে আর ফোন ধরেনি। আরেক অভিযুক্ত ইশরাক জাহান দিপুর সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
ক্যাম্পাসে মারামারি এবং সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় প্রক্টর ড.উম্মুল খায়ের ফাতেমা সবুজ বাংলাকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে অবগত হয়েছি এবং এরকম এলাকা ইস্যু নিয়ে মারামারি করা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে ভিকটিমের পক্ষ থেকে, দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা  প্রশাসনকে অবগত করেছি, পরবর্তীতে আর এরকম কিছু  ঘটনা,  যাতে না ঘটে  আমরা সে বিষয়ে সর্তক অবস্থানে আছি।
স/মিফা