০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন

রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যয়ের হিসাব দিতে ইসির নির্দেশ

 

 

➤৯০ দিনের মধ্যে দলগুলোকে হিসাব দাখিলের নির্দেশনা আছে
➤৬ এপ্রিলের মধ্যে এই হিসাব দিতে হবে
➤ নিয়ম না মানলে রয়েছে শাস্তির বিধান

সংসদ নির্বাচন শেষে ৯০ দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী ব্যয় জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে হিসাবে আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে দলগুলোকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার ইসির জনসংযোগ পরিচালক শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪গগগ(১) ও (৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন সমাপ্ত হওয়ার ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী নির্বাচন কমিশনে দাখিল করার বিধান রয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৪টি। এর মধ্যে গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় ২৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী দাখিলের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল, বিবরণীয় দলিলপত্র সংরক্ষণ, পরিদর্শন ও কপি প্রদানের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

 

ইসি উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে জানানো হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ এর দফা (১) অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে (যিনি নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তিনি নিজেই তার নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন) ফরম-২২-তে এফিডেভিটসহ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হবে।

তাছাড়া নির্বাচনী এজেন্টকে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করা রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অর্থাৎ নির্বাচনে বিজয়ী-পরাজিত সব প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন অবশ্যই দাখিল করতে হবে। এমনকি কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনে কোন ব্যয় না হলে তাও নির্ধারিত ফরমে উল্লেখ করে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ অনুযায়ী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন (ফরম-২২) যথাযথভাবে দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে আদেশের অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধের দায়ে দায়ী হবেন। আদেশের অনুচ্ছেদ ও অনুসারে উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানাসহ কমপক্ষে ২ (দুই) বৎসর ও অনধিক ৭ (সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

গত ৭ জানুয়ারি সারা দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুতে তার ভোট পরে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনবার নির্বাচিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করায় নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হয়, না জানি কি হয়! দলটি নির্বাচন ঘিরে ৪৮ ঘণ্টার হরতালও ডাকে। এ অবস্থায় নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আট লাখ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেছে। পাশাপাশি আট লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ইসি সূত্র জানায়, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে নামে ২৮টি দল। আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এখন দলীয় প্রার্থী ১৫৩৪ জন আর স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ২৬৬ জন, প্রতীক নৌকা। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ২৬৫ জন, প্রতীক লাঙল। জাকের পার্টির প্রার্থী ২১ জন, প্রতীক গোলাপ ফুল। তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ১৩৫ জন, প্রতীক সোনালী আঁশ। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী ১২২ জন, প্রতীক আম। বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ৯৬ জন, প্রতীক ডাব। জাসদের প্রার্থী ৬৬ জন, প্রতীক মশাল। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী ৭৯ জন, প্রতীক একতারা। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী ৬৩ জন, প্রতীক ছড়ি।

২৯৯ সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ১০৩টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৯১২টি। এবারের নির্বাচনে সারা দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন, নারী ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৮৫২। ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় প্রায় ২৩০০ কোটি টাকা। এ নির্বাচনে আসনপ্রতি ৭ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করে ইসি। জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ হাজার ২২৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং নির্বাচন পরিচালনা খাতে সম্ভাব্য ব্যয় ১ হাজার ৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন

আপডেট সময় : ০৪:৪২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

 

 

➤৯০ দিনের মধ্যে দলগুলোকে হিসাব দাখিলের নির্দেশনা আছে
➤৬ এপ্রিলের মধ্যে এই হিসাব দিতে হবে
➤ নিয়ম না মানলে রয়েছে শাস্তির বিধান

সংসদ নির্বাচন শেষে ৯০ দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী ব্যয় জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে হিসাবে আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে দলগুলোকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার ইসির জনসংযোগ পরিচালক শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪গগগ(১) ও (৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন সমাপ্ত হওয়ার ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী নির্বাচন কমিশনে দাখিল করার বিধান রয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৪টি। এর মধ্যে গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় ২৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী দাখিলের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল, বিবরণীয় দলিলপত্র সংরক্ষণ, পরিদর্শন ও কপি প্রদানের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

 

ইসি উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে জানানো হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ এর দফা (১) অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে (যিনি নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তিনি নিজেই তার নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন) ফরম-২২-তে এফিডেভিটসহ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হবে।

তাছাড়া নির্বাচনী এজেন্টকে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করা রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অর্থাৎ নির্বাচনে বিজয়ী-পরাজিত সব প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন অবশ্যই দাখিল করতে হবে। এমনকি কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনে কোন ব্যয় না হলে তাও নির্ধারিত ফরমে উল্লেখ করে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ অনুযায়ী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন (ফরম-২২) যথাযথভাবে দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে আদেশের অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধের দায়ে দায়ী হবেন। আদেশের অনুচ্ছেদ ও অনুসারে উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানাসহ কমপক্ষে ২ (দুই) বৎসর ও অনধিক ৭ (সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

গত ৭ জানুয়ারি সারা দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুতে তার ভোট পরে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনবার নির্বাচিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করায় নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হয়, না জানি কি হয়! দলটি নির্বাচন ঘিরে ৪৮ ঘণ্টার হরতালও ডাকে। এ অবস্থায় নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আট লাখ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেছে। পাশাপাশি আট লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ইসি সূত্র জানায়, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে নামে ২৮টি দল। আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এখন দলীয় প্রার্থী ১৫৩৪ জন আর স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ২৬৬ জন, প্রতীক নৌকা। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ২৬৫ জন, প্রতীক লাঙল। জাকের পার্টির প্রার্থী ২১ জন, প্রতীক গোলাপ ফুল। তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ১৩৫ জন, প্রতীক সোনালী আঁশ। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী ১২২ জন, প্রতীক আম। বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ৯৬ জন, প্রতীক ডাব। জাসদের প্রার্থী ৬৬ জন, প্রতীক মশাল। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী ৭৯ জন, প্রতীক একতারা। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী ৬৩ জন, প্রতীক ছড়ি।

২৯৯ সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ১০৩টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৯১২টি। এবারের নির্বাচনে সারা দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন, নারী ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৮৫২। ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় প্রায় ২৩০০ কোটি টাকা। এ নির্বাচনে আসনপ্রতি ৭ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করে ইসি। জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ হাজার ২২৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং নির্বাচন পরিচালনা খাতে সম্ভাব্য ব্যয় ১ হাজার ৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।