০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের জেদ্দায় গণহত্যা দিবস পালিত

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার উদ্যোগে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বাঙ্গালি মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের ভয়াল ‘গণহত্যা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে ।  অনুষ্ঠানের শুরুতেই তরজমাসহ পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ একাত্তরে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণহত্যায় নিহত শহীদদের আত্নার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। অতঃপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যার শিকার হওয়া শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে গণহত্যা দিবসের উপর তৈরি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়েছে। দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক বক্তব্য পেশ করেন। বক্তব্যে তিনি গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিটি উল্লেখযোগ্য ঘটনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদানের কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ২৫ মার্চের গণহত্যার মূল খলনায়ক হিসেবে কুখ্যাত পাকিস্তানী আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান এবং টিক্কা খানের ধারাবাহিক কুকীর্তি ও নৃশংসতার বিশদ বর্ণনা করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস প্রত্যেক শিশু-কিশোরদের জানানোর জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান, যাতে তারা বড় হয়ে সঠিকভাবে শত্রু-মিত্র চিনতে পারে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কনস্যুলেটে ও তাদের স্ব-স্ব বাসভবনে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ১ মিনিটের জন্য প্রতীকী ব্লাক-আউট পালন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-ছাত্র, স্থানীয় বাংলাদেশী সাংবাদিকবৃন্দ, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ জেদ্দা প্রবাসী অনেক বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের জেদ্দায় গণহত্যা দিবস পালিত

আপডেট সময় : ০৭:১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার উদ্যোগে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বাঙ্গালি মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের ভয়াল ‘গণহত্যা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে ।  অনুষ্ঠানের শুরুতেই তরজমাসহ পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ একাত্তরে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণহত্যায় নিহত শহীদদের আত্নার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। অতঃপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যার শিকার হওয়া শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে গণহত্যা দিবসের উপর তৈরি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়েছে। দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক বক্তব্য পেশ করেন। বক্তব্যে তিনি গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিটি উল্লেখযোগ্য ঘটনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদানের কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ২৫ মার্চের গণহত্যার মূল খলনায়ক হিসেবে কুখ্যাত পাকিস্তানী আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান এবং টিক্কা খানের ধারাবাহিক কুকীর্তি ও নৃশংসতার বিশদ বর্ণনা করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস প্রত্যেক শিশু-কিশোরদের জানানোর জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান, যাতে তারা বড় হয়ে সঠিকভাবে শত্রু-মিত্র চিনতে পারে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কনস্যুলেটে ও তাদের স্ব-স্ব বাসভবনে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ১ মিনিটের জন্য প্রতীকী ব্লাক-আউট পালন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-ছাত্র, স্থানীয় বাংলাদেশী সাংবাদিকবৃন্দ, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ জেদ্দা প্রবাসী অনেক বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।