১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সম্পদের ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্ব বাবার কবরে শুয়ে পড়লো ছেলে

নীলফামারীতে জমি লিখে না দেয়ায় মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। দাফন আটকাতে বাবার জন্য খোঁড়া কবরে শুয়ে পড়েন তিনি। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মরদেহ দাফন করা হয়।

শুক্রবার নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের যাদুরহাট বাটুল টারিতে এই ঘটনা ঘটে।

ওই এলাকার বাসিন্দা মজিবুর রহমানের মৃত্যু হয় বৃহস্পতিবার রাতে। জমি রেজিস্ট্রি না করে দিয়েই মারা যাওয়ায় ছেলে নওশাদ আলী বাবার দাফনে বাধা দেন।

স্থানীয়রা জানান, মুজিবুর রহমানের দুই স্ত্রী রয়েছে। মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে ২ শতাংশ ও ছোট ছেলেকে ৫ শতাংশ জমি লিখে দেন তিনি। প্রথম স্ত্রীর তিন ছেলের মধ্যে ওয়াজেদ আলী, খয়রাত আলী ও নওশাদ আলীকে মৌখিকভাবে ৩ শতাংশ জমি দেন মজিবুর রহমান। কিন্তু মৃত্যুর আগে তিন ছেলেকে দেয়া জমি রেজিস্ট্রি করে না করে দেয়ায় বাবার মরদেহ আটকিয়ে কবরে শুয়ে পড়ে কবর দিতে বাধা দেন নওশাদ আলী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাপড়া ইউনিয়নের পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘জমি লিখে না দেয়ায় বাবাকে কবর দিতে বাধা দেয়ার ঘটনাটি আসলেই দুঃখজনক। এ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার বইছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তার দাফন সম্পন্ন হয়।’

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পদের ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্ব বাবার কবরে শুয়ে পড়লো ছেলে

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

নীলফামারীতে জমি লিখে না দেয়ায় মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। দাফন আটকাতে বাবার জন্য খোঁড়া কবরে শুয়ে পড়েন তিনি। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মরদেহ দাফন করা হয়।

শুক্রবার নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের যাদুরহাট বাটুল টারিতে এই ঘটনা ঘটে।

ওই এলাকার বাসিন্দা মজিবুর রহমানের মৃত্যু হয় বৃহস্পতিবার রাতে। জমি রেজিস্ট্রি না করে দিয়েই মারা যাওয়ায় ছেলে নওশাদ আলী বাবার দাফনে বাধা দেন।

স্থানীয়রা জানান, মুজিবুর রহমানের দুই স্ত্রী রয়েছে। মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে ২ শতাংশ ও ছোট ছেলেকে ৫ শতাংশ জমি লিখে দেন তিনি। প্রথম স্ত্রীর তিন ছেলের মধ্যে ওয়াজেদ আলী, খয়রাত আলী ও নওশাদ আলীকে মৌখিকভাবে ৩ শতাংশ জমি দেন মজিবুর রহমান। কিন্তু মৃত্যুর আগে তিন ছেলেকে দেয়া জমি রেজিস্ট্রি করে না করে দেয়ায় বাবার মরদেহ আটকিয়ে কবরে শুয়ে পড়ে কবর দিতে বাধা দেন নওশাদ আলী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাপড়া ইউনিয়নের পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘জমি লিখে না দেয়ায় বাবাকে কবর দিতে বাধা দেয়ার ঘটনাটি আসলেই দুঃখজনক। এ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার বইছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তার দাফন সম্পন্ন হয়।’