০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বনানীতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

কারখানা বন্ধের প্রতিবাদ ও বকেয়া বেতনের দাবিতে রাজধানীর বনানী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বনানীর সৈনিক ক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করেন তারা। বনানী থানার ওসি কাজী সাহান হক এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

তিনি বলেন, বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার পোশাক কারখানা অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শ্রমিকরা গতকাল সকালে কাজে এসে দেখেন কারখানা বন্ধের নোটিস ঝুলছে। এর প্রতিবাদে তারা সৈনিক ক্লাবের সড়ক অবরোধ করেন। পরে সকাল ১১টার পর পুলিশের মধ্যস্থতায় সড়ক ছেড়ে দেন শ্রমিকরা। তারা মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার জন্য অপেক্ষা করছেন।

 

 

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানায়, বিনা নোটিসে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ কারণে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

 

এদিকে সড়ক অবরোধ ছেড়ে দিলেও এর প্রভাব পড়েছে মহাখালী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় সব সড়কে। এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলে সড়কে যানজট থাকবে না।

 

 

ওসি বলেন, শ্রমিকরা জানিয়েছেন, কখনও তাদের জানানো হয়নি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তারা মালিকপক্ষের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছেন। আমরা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা ছেড়ে দিতে বলেছি। তারা মহাখালী থেকে বিমানবন্দর লেনের একাংশ ছেড়ে দিয়েছে, যান চলাচলও শুরু হয়েছে। তবে তারা ফিরে যাননি, অধিকাংশ শ্রমিক এখনো ফুটপাতে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

বনানীতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ০৯:২৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪

কারখানা বন্ধের প্রতিবাদ ও বকেয়া বেতনের দাবিতে রাজধানীর বনানী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বনানীর সৈনিক ক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করেন তারা। বনানী থানার ওসি কাজী সাহান হক এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

তিনি বলেন, বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার পোশাক কারখানা অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শ্রমিকরা গতকাল সকালে কাজে এসে দেখেন কারখানা বন্ধের নোটিস ঝুলছে। এর প্রতিবাদে তারা সৈনিক ক্লাবের সড়ক অবরোধ করেন। পরে সকাল ১১টার পর পুলিশের মধ্যস্থতায় সড়ক ছেড়ে দেন শ্রমিকরা। তারা মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার জন্য অপেক্ষা করছেন।

 

 

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানায়, বিনা নোটিসে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ কারণে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

 

এদিকে সড়ক অবরোধ ছেড়ে দিলেও এর প্রভাব পড়েছে মহাখালী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় সব সড়কে। এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলে সড়কে যানজট থাকবে না।

 

 

ওসি বলেন, শ্রমিকরা জানিয়েছেন, কখনও তাদের জানানো হয়নি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তারা মালিকপক্ষের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছেন। আমরা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা ছেড়ে দিতে বলেছি। তারা মহাখালী থেকে বিমানবন্দর লেনের একাংশ ছেড়ে দিয়েছে, যান চলাচলও শুরু হয়েছে। তবে তারা ফিরে যাননি, অধিকাংশ শ্রমিক এখনো ফুটপাতে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।