১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে আ’লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে  ফুঁসে উঠেছে আইনজীবীরা

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে আইনজীবীরা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-২ এর পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধরের ঘটনায় আইনজীবীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ৷  মঙ্গলবার সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির-১ নম্বর ভবনের সামনে তারা  মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এম. ইদ্রিস আলী, সিনিয়র আইনজীবী নজরুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু মোর্তজা ছোট, জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু প্রমুখ।
আইনজীবীরা বলেন,  জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন আইন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধর করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন। তিনি রীতিমতো ফৌজদারী অপরাধ করেছেন। একজন রাজনৈতিক নেতার এমন আচরণে আইনজীবীরা লজ্জিত।
আইনজীবীরা আরও বলেন, পুলিশ ফাঁড়ি অবশ্যই একটি নিরাপদ স্থান। সেখানে পুলিশের সামনে একজন আইন কর্মকর্তা মারধরের শিকার হবেন এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। সুষ্ঠু বিচার না পেলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন আইনজীবীরা।
এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেয়ার জন্য মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গত, ১০ জুন সোমবার যশোর শহরের মুজিব সড়কের ফুটপাতের দোকান বসানো নিয়ে হকারদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছিলো। সেখানে আইন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধর করেন  শহিদুল ইসলাম মিলন। পরে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। জেলা আইনজীবী সমিতিতে লিখিত অভিযোগও করেন মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
জনপ্রিয় সংবাদ

টিউশনের নামে প্রতারণার ফাঁদ

যশোরে আ’লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে  ফুঁসে উঠেছে আইনজীবীরা

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে আইনজীবীরা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-২ এর পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধরের ঘটনায় আইনজীবীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ৷  মঙ্গলবার সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির-১ নম্বর ভবনের সামনে তারা  মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এম. ইদ্রিস আলী, সিনিয়র আইনজীবী নজরুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু মোর্তজা ছোট, জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু প্রমুখ।
আইনজীবীরা বলেন,  জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন আইন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধর করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন। তিনি রীতিমতো ফৌজদারী অপরাধ করেছেন। একজন রাজনৈতিক নেতার এমন আচরণে আইনজীবীরা লজ্জিত।
আইনজীবীরা আরও বলেন, পুলিশ ফাঁড়ি অবশ্যই একটি নিরাপদ স্থান। সেখানে পুলিশের সামনে একজন আইন কর্মকর্তা মারধরের শিকার হবেন এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। সুষ্ঠু বিচার না পেলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন আইনজীবীরা।
এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেয়ার জন্য মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গত, ১০ জুন সোমবার যশোর শহরের মুজিব সড়কের ফুটপাতের দোকান বসানো নিয়ে হকারদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছিলো। সেখানে আইন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারধর করেন  শহিদুল ইসলাম মিলন। পরে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। জেলা আইনজীবী সমিতিতে লিখিত অভিযোগও করেন মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।