০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাগরে ফিলিপাইন ও চীনা সেনাদের ‘লড়াই’

➤ ছুরি-কুড়াল দিয়ে আক্রমণ চীনা সেনাদের
➤ খালি হাতে ফিলিপিনো সেনারা
➤ ফিলিপাইনে রাজনৈতিক সংকটের শঙ্কা
➤ মার্কোসের মন্ত্রিসভা থেকে সারা দুতার্তের পদত্যাগ

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা উপকূলরক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ফিলিপিন্সের নৌ সেনারা। তলোয়ার, বর্শা ও ছুরি হাতে চড়াও হওয়া চীনা উপকূলরক্ষীদের সঙ্গে ফিলিপিনো সেনারা ‘খালি হাতেই’ লড়াই করেছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার একথা জানিয়েছেন। তবে চীন এ ঘটনায় তাদের উপকূলরক্ষীদের দোষ অস্বীকার করে বলেছে, তারা ‘সংযত’ ছিল। বিবিসি জানায়, সেকেন্ড থমাস শোল দ্বীপে অবস্থান করা ফিলিপিনো সেনাদেরকে রসদ সরবরাহ করতে যাওয়ার সময় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিপিন্সের নৌ সেনা ও উপকূলরক্ষীরা সোমবার রসদ সরবরাহ করতে দ্বীপটিতে যাচ্ছিলেন।

অভিযোগ করে ফিলিপিন্সের জেনারেল রোমিও ব্রাউনার বলেছেন, চীনা জাহাজ ফিলিপিন্সের নৌকাগুলোকে ধাক্কা দিয়েছে। তারপর সেগুলোতে উঠে পড়ে অস্ত্র দখল করে চীনা উপকূলরক্ষীরা। তাদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে এক ফিলিপিনো সেনার বুড়ো আঙুল কেটে পড়ে গেছে। সেনারা চীনা উপকূলরক্ষীদের ছুরি, বর্শা এবং চাপাতি হাতে দেখার কথা জানিয়েছে। চীনাদেরকে দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় এমন অস্ত্র হাতে এবারই সেনারা প্রথম দেখল। আমরা ভিডিওতে দেখলাম, চীনারা এমনকি আমাদের সেনাদেরকে ছুরি উঁচিয়ে ধরে ভয় দেখিয়েছে। চীনা উপকূলরক্ষীরা বেশ কিছু সংখ্যক বন্দুক জব্দ করেছে এবং মোটরসহ কিছু জিনিস ধ্বংস করেছে। তারা নৌকাগুলো বিকল করে দিয়েছে। এ ঘটনা জলদস্যুতার সামিল। আমাদের একান্ত অর্থনৈতিক এলাকার মধ্যকার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা কিংবা ফিলিপিনো জাহাজ ধ্বংস করার কোনো অধিকার কিংবা আইনি ক্ষমতা তাদের (চীনা উপকূলরক্ষী) নেই।

তবে চীনের রাজধানী বেইজিং এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের উপকূল কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ রসদ পরিবহন ঠেকানো। ফিলিপিনো সেনাদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা অনেক বেড়েছে। ওই সাগরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় অংশের ওপর চীনের মালিকানা দাবিকে কেন্দ্র করে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইয়ের বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি কয়েক মাসে দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপিন্স এবং চীনের উপকূলরক্ষীদের মধ্যে কয়েকদফায় বিপজ্জনক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আর এবারের ঘটনায় সংঘাত আরও বাড়ছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। চীন বরাবরই সেকেন্ড থমাস শোল দ্বীপে ফিলিপিনো সেনাদের রসদ সরবরাহের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে। দ্বীপটিতে ফিলিপিন্স নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে কিছু নৌ সেনা রেখেছে, যাদেরকে নিয়মিত রেশন সরবরাহ করতে হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিলিপিনো ওই সেনাদের রেশন সরবরাহে বাধা দিলে সাগর এলাকায় তাদের আগল ভেঙে পড়বে। আর চীন তখন পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ করায়ত্ব করতে পারবে।

এদিকে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের কন্যা ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তে। ফিলিপিনো প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে সারার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সারার পদত্যাগের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মুখপাত্র শেলয় গ্যারাফিল বলেছেন, তিনি শুধু মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি আর দায়িত্ব পালন করবেন না। তবে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যাবেন।

ফিলিপাইনের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সারা দুতার্তে দেশটির ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবেও আর দায়িত্ব পালন করবেন না। এই টাস্কফোর্স দেশটির অস্ত্রধারী সমাজতান্ত্রিক সংগঠনগুলোর সংঘাত শেষ করতে কাজ করছে। সারার পদত্যাগপত্র ১৯ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, কী কারণে নিজের দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন- সেই বিষয়ে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন সারা।

একটি পৃথক সংবাদ সম্মেলনে সারা অবশ্য মত দিয়েছেন, নিজের দুর্বলতার কারণে নয় বরং শিক্ষক এবং তরুণদের জন্য সত্যিকারের উদ্বেগের কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। সারার পদত্যাগের পর তার দায়িত্বে কে আসছেন, সেই বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়নি প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারার আকস্মিক পদত্যাগ প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি এবং তাদের জোট ভেঙে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের আমল শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালে দুতার্তে ও মার্কোস পরিবার একটি কৌশলগত জোট গঠন করেছিল। সেই অনুযায়ী, সারা দুতার্তে ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের এই জোট নির্বাচনে বড় সাফল্য দেখেছিল এবং তারা বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিলেন। ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে। সিনিয়র মার্কোস ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, সারা এবং মার্কোসের জোটে ভাঙন ধরবে তা আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে এটি এত তাড়াতাড়ি ঘটবে তা কেউ ভাবেনি।

সাগরে ফিলিপাইন ও চীনা সেনাদের ‘লড়াই’

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

➤ ছুরি-কুড়াল দিয়ে আক্রমণ চীনা সেনাদের
➤ খালি হাতে ফিলিপিনো সেনারা
➤ ফিলিপাইনে রাজনৈতিক সংকটের শঙ্কা
➤ মার্কোসের মন্ত্রিসভা থেকে সারা দুতার্তের পদত্যাগ

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা উপকূলরক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ফিলিপিন্সের নৌ সেনারা। তলোয়ার, বর্শা ও ছুরি হাতে চড়াও হওয়া চীনা উপকূলরক্ষীদের সঙ্গে ফিলিপিনো সেনারা ‘খালি হাতেই’ লড়াই করেছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার একথা জানিয়েছেন। তবে চীন এ ঘটনায় তাদের উপকূলরক্ষীদের দোষ অস্বীকার করে বলেছে, তারা ‘সংযত’ ছিল। বিবিসি জানায়, সেকেন্ড থমাস শোল দ্বীপে অবস্থান করা ফিলিপিনো সেনাদেরকে রসদ সরবরাহ করতে যাওয়ার সময় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিপিন্সের নৌ সেনা ও উপকূলরক্ষীরা সোমবার রসদ সরবরাহ করতে দ্বীপটিতে যাচ্ছিলেন।

অভিযোগ করে ফিলিপিন্সের জেনারেল রোমিও ব্রাউনার বলেছেন, চীনা জাহাজ ফিলিপিন্সের নৌকাগুলোকে ধাক্কা দিয়েছে। তারপর সেগুলোতে উঠে পড়ে অস্ত্র দখল করে চীনা উপকূলরক্ষীরা। তাদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে এক ফিলিপিনো সেনার বুড়ো আঙুল কেটে পড়ে গেছে। সেনারা চীনা উপকূলরক্ষীদের ছুরি, বর্শা এবং চাপাতি হাতে দেখার কথা জানিয়েছে। চীনাদেরকে দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় এমন অস্ত্র হাতে এবারই সেনারা প্রথম দেখল। আমরা ভিডিওতে দেখলাম, চীনারা এমনকি আমাদের সেনাদেরকে ছুরি উঁচিয়ে ধরে ভয় দেখিয়েছে। চীনা উপকূলরক্ষীরা বেশ কিছু সংখ্যক বন্দুক জব্দ করেছে এবং মোটরসহ কিছু জিনিস ধ্বংস করেছে। তারা নৌকাগুলো বিকল করে দিয়েছে। এ ঘটনা জলদস্যুতার সামিল। আমাদের একান্ত অর্থনৈতিক এলাকার মধ্যকার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা কিংবা ফিলিপিনো জাহাজ ধ্বংস করার কোনো অধিকার কিংবা আইনি ক্ষমতা তাদের (চীনা উপকূলরক্ষী) নেই।

তবে চীনের রাজধানী বেইজিং এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের উপকূল কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ রসদ পরিবহন ঠেকানো। ফিলিপিনো সেনাদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা অনেক বেড়েছে। ওই সাগরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় অংশের ওপর চীনের মালিকানা দাবিকে কেন্দ্র করে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইয়ের বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি কয়েক মাসে দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপিন্স এবং চীনের উপকূলরক্ষীদের মধ্যে কয়েকদফায় বিপজ্জনক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আর এবারের ঘটনায় সংঘাত আরও বাড়ছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। চীন বরাবরই সেকেন্ড থমাস শোল দ্বীপে ফিলিপিনো সেনাদের রসদ সরবরাহের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে। দ্বীপটিতে ফিলিপিন্স নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে কিছু নৌ সেনা রেখেছে, যাদেরকে নিয়মিত রেশন সরবরাহ করতে হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিলিপিনো ওই সেনাদের রেশন সরবরাহে বাধা দিলে সাগর এলাকায় তাদের আগল ভেঙে পড়বে। আর চীন তখন পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ করায়ত্ব করতে পারবে।

এদিকে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের কন্যা ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তে। ফিলিপিনো প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে সারার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সারার পদত্যাগের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মুখপাত্র শেলয় গ্যারাফিল বলেছেন, তিনি শুধু মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি আর দায়িত্ব পালন করবেন না। তবে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যাবেন।

ফিলিপাইনের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সারা দুতার্তে দেশটির ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবেও আর দায়িত্ব পালন করবেন না। এই টাস্কফোর্স দেশটির অস্ত্রধারী সমাজতান্ত্রিক সংগঠনগুলোর সংঘাত শেষ করতে কাজ করছে। সারার পদত্যাগপত্র ১৯ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, কী কারণে নিজের দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন- সেই বিষয়ে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন সারা।

একটি পৃথক সংবাদ সম্মেলনে সারা অবশ্য মত দিয়েছেন, নিজের দুর্বলতার কারণে নয় বরং শিক্ষক এবং তরুণদের জন্য সত্যিকারের উদ্বেগের কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। সারার পদত্যাগের পর তার দায়িত্বে কে আসছেন, সেই বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়নি প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারার আকস্মিক পদত্যাগ প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি এবং তাদের জোট ভেঙে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের আমল শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালে দুতার্তে ও মার্কোস পরিবার একটি কৌশলগত জোট গঠন করেছিল। সেই অনুযায়ী, সারা দুতার্তে ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের এই জোট নির্বাচনে বড় সাফল্য দেখেছিল এবং তারা বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিলেন। ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে। সিনিয়র মার্কোস ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, সারা এবং মার্কোসের জোটে ভাঙন ধরবে তা আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে এটি এত তাড়াতাড়ি ঘটবে তা কেউ ভাবেনি।