০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে সংবিধানের ‘সংশোধন নাকি পুনর্লিখন’ বিষয়ে মুক্ততর্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘সংবিধানের সংশোধন নাকি পুনর্লিখন’ বিষয়ে মুক্ততর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ১২সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার চাকসু ভবনে এটি আয়োজন করে রঞ্জন নামের একটি সংগঠন।

এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সমুদ্রবিজ্ঞান ও মৎসবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, মার্কেটিং অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান সংবিধানের পুনর্লিখনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সংবিধানে জন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে হবে। আমাদের সংবিধানের মৌলিক নীতি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধারণ করেনি। তাই সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধারণের জন্য সংবিধান পুনর্লিখন জরুরি।

সুদীপ্ত চাকমা সংশোধন আহ্বান করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ৭২-এর সংবিধানে হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সব মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান পুনর্লিখনে জোর দিয়ে বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নেই বললেই চলে, তাকে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অধ্যাপক।

সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, সংশোধন বা পুনর্লিখন যেটাই হোক, কোনো শাসক যেন স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে মডারেটর হিসেবে ছিলেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, একই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফাতিমা যাহরা আহসান রাইসা ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ইসফাকুল কবির আসিফ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চবিতে সংবিধানের ‘সংশোধন নাকি পুনর্লিখন’ বিষয়ে মুক্ততর্ক

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘সংবিধানের সংশোধন নাকি পুনর্লিখন’ বিষয়ে মুক্ততর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ১২সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার চাকসু ভবনে এটি আয়োজন করে রঞ্জন নামের একটি সংগঠন।

এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সমুদ্রবিজ্ঞান ও মৎসবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, মার্কেটিং অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান সংবিধানের পুনর্লিখনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সংবিধানে জন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে হবে। আমাদের সংবিধানের মৌলিক নীতি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধারণ করেনি। তাই সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধারণের জন্য সংবিধান পুনর্লিখন জরুরি।

সুদীপ্ত চাকমা সংশোধন আহ্বান করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ৭২-এর সংবিধানে হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সব মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান পুনর্লিখনে জোর দিয়ে বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নেই বললেই চলে, তাকে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অধ্যাপক।

সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, সংশোধন বা পুনর্লিখন যেটাই হোক, কোনো শাসক যেন স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে মডারেটর হিসেবে ছিলেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, একই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফাতিমা যাহরা আহসান রাইসা ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ইসফাকুল কবির আসিফ।