০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রেনের ব্রেক ফেল, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল যাত্রীরা

যাত্রা বিরতি দেওয়ার আগে ব্রেক ফেল করে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে প্ল্যাটফর্মে না থেমে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে ট্রেনটি। এতে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান শতাধিক যাত্রী। গত ২১ নভেম্বর বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনে এমন ঘটনা ঘটে। ডোমার রেলওয়ে স্টেশন সুত্রে জানা যায়, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে ডোমার পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় থাকলেও কিছুক্ষণ বিলম্বে ট্রেনটি ডোমার রেলস্টেশনে পৌঁছায়। দ্রুতগতিতে থাকা ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে না থেমে সামনে চলে যায়। এক পর্যায়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামে। পরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আবার উল্টো পথে প্ল্যাটফর্মে আসে। চিলাহাটি থেকে ডোমারে ট্রেনে আসা রতন ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ডোমার বাজার রেলগেট অতিক্রম করার পর প্লাটফর্মে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম কিন্তু প্লাটফর্মের কাছাকাছি এসেও স্বাভাবিক গতি ছিলনা। এতে আমরা কয়েকজন যাত্রী ভয় পাই। পরে মনে হয়েছিল ট্রেনের ড্রাইভার মনে হয় ঘুমিয়ে গেছে। পরে ট্রেনটি প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে থামার পর ট্রেন থেকে নেমে পড়ি। পরে জানতে পারি ট্রেনটি ব্রেক ফেল করেছে। আলমগীর হোসেন নামে আরেক যাত্রী বলেন, সৈয়দপুর যাওয়ার জন্য দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিলাম। স্টেশনে মাইকে বলা হচ্ছিল প্ল্যাটফর্মে এসে ট্রেনটি থামবে। ট্রেন এলো, কিন্তু থামল না। হঠাৎ অনেকে এমন দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যান। ট্রেনটির চালক আসাদুজ্জামান খান ও গার্ড হুমায়ুন কবির খান বলেন, ব্রেক কাজ না করায় স্টেশন ছেড়ে অনেকদূর গিয়ে জরুরী ব্রেক ধরে ট্রেনটি থামানো হয়। ততোক্ষণে স্টেশন থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে চলে যায় ট্রেনটি। এরপর ৭টা ৫০মিনিটে ডোমার রেলস্টেশন থেকে রওনা করে। ডোমার রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার বাবু হোসেন বলেন, আমরা মাইকে বরাবরের মতো ঘোষণা দিচ্ছিলাম স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন থামার কথা। কিন্তু ব্রেক ফেল হওয়ায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে। এসময় যাত্রীদের সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। পরে ট্রেনটি পেছনে এসে যাত্রী তোলে। এরপর যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি ৭টা ৫০ মিনিটে রওনা দেয়। তবে এতে কারো কোনো ক্ষতি হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেনের ব্রেক ফেল, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

যাত্রা বিরতি দেওয়ার আগে ব্রেক ফেল করে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে প্ল্যাটফর্মে না থেমে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে ট্রেনটি। এতে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান শতাধিক যাত্রী। গত ২১ নভেম্বর বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনে এমন ঘটনা ঘটে। ডোমার রেলওয়ে স্টেশন সুত্রে জানা যায়, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে ডোমার পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় থাকলেও কিছুক্ষণ বিলম্বে ট্রেনটি ডোমার রেলস্টেশনে পৌঁছায়। দ্রুতগতিতে থাকা ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে না থেমে সামনে চলে যায়। এক পর্যায়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামে। পরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আবার উল্টো পথে প্ল্যাটফর্মে আসে। চিলাহাটি থেকে ডোমারে ট্রেনে আসা রতন ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ডোমার বাজার রেলগেট অতিক্রম করার পর প্লাটফর্মে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম কিন্তু প্লাটফর্মের কাছাকাছি এসেও স্বাভাবিক গতি ছিলনা। এতে আমরা কয়েকজন যাত্রী ভয় পাই। পরে মনে হয়েছিল ট্রেনের ড্রাইভার মনে হয় ঘুমিয়ে গেছে। পরে ট্রেনটি প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে থামার পর ট্রেন থেকে নেমে পড়ি। পরে জানতে পারি ট্রেনটি ব্রেক ফেল করেছে। আলমগীর হোসেন নামে আরেক যাত্রী বলেন, সৈয়দপুর যাওয়ার জন্য দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিলাম। স্টেশনে মাইকে বলা হচ্ছিল প্ল্যাটফর্মে এসে ট্রেনটি থামবে। ট্রেন এলো, কিন্তু থামল না। হঠাৎ অনেকে এমন দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যান। ট্রেনটির চালক আসাদুজ্জামান খান ও গার্ড হুমায়ুন কবির খান বলেন, ব্রেক কাজ না করায় স্টেশন ছেড়ে অনেকদূর গিয়ে জরুরী ব্রেক ধরে ট্রেনটি থামানো হয়। ততোক্ষণে স্টেশন থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে চলে যায় ট্রেনটি। এরপর ৭টা ৫০মিনিটে ডোমার রেলস্টেশন থেকে রওনা করে। ডোমার রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার বাবু হোসেন বলেন, আমরা মাইকে বরাবরের মতো ঘোষণা দিচ্ছিলাম স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন থামার কথা। কিন্তু ব্রেক ফেল হওয়ায় দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে। এসময় যাত্রীদের সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। পরে ট্রেনটি পেছনে এসে যাত্রী তোলে। এরপর যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি ৭টা ৫০ মিনিটে রওনা দেয়। তবে এতে কারো কোনো ক্ষতি হয়নি।