অপরাধের পুরোনো সাম্রাজ্য ফিরে পেতে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দেওয়ার পাশাপাশি চাঁদা চেয়ে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়ার বহু ঘটনাও ঘটেছে। শিশু থেকে বয়স্করা শীর্ষ সন্ত্রাসী আল আমিনের অস্ত্রের কাছে জিম্মি ছিল।
শুক্রবার ( ২২ নভেম্বর) সকালে আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের জগন্নাথ মন্দির এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি অস্ত্র ও চার রাউন্ড কার্তুজসহ যৌথবাহিনীর নিকট গ্রেফতার হন শীর্ষ সন্ত্রাসী আল আমিন।
সে কুমিল্লা নগরীর সংরাইশ এলাকার ইদু মিয়ার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে র্যাব-১১ সহ আল- আমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। অবশেষে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান বলেন, আল আমিন, কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। আমরা আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেছি।
উল্লেখ্য আল আমিনের বিরুদ্ধে ছিনতাই, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, ব্যাংক লুট ও ডাকাতি, দখল, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, অন্ত্র মামলাসহ ২৬ টি মামলার রয়েছে।
সর্বশেষ ৩ আগস্ট ছাত্র অভ্যুত্থান চলাকালে কুমিল্লায় অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে বেশ কয়েকজনকে আহত করে শীর্ষ সন্ত্রাসী আল-আমিন।






















