০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদারগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ ১০০ শয্যা বিশিষ্ট  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাইফুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে দরপত্র নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যসহ  নানা অনিয়ম ও  দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাইফুল ইসলাম জয় তাঁর পছন্দের ঠিকাদার নির্বাচন করে হাসপাতালের কাজ পাইয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন তিনি। চলমান দরপত্রে উল্লিখিত কঠিন শর্ত  বাতিল করে স্বচ্ছতার সঙ্গে দরপত্র আহ্বানের দাবি জানিয়েছেন  ঠিকাদাররা।

অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদারগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০২৪/২৫ অর্থ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল  সাপ্লাইয়ার ঠিকাদেরর জন্য একটি টেন্ডার নোটিশ আহবান করা হয়। আর এই টেন্ডার নোটিশটিতেও স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশ প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, টেন্ডার নোটিশ আহবানে যে সকল শর্তাবলী ব্যবহার করা প্রয়োজন তা ব্যবহার না করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিভাগীয় নিদিষ্ট কোন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঐ ঠিকাদার কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে এমন কিছু শর্তাবলী উল্লেখ করেছেন যাহা ঐ নিদিষ্ট ঠিকাদার ছাড়া কেউ টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করতে পরবে না।

অভিযোগকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আরও বলেন, জাতীয় দৈনিক দুইটি পত্রিকায় গত ১২ নভেম্বরে যে টেন্ডার নোটিশ আহবানের জন্য বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় তাতে অফিসিয়াল স্মারক, ই-মেইল ও ফোন/মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করা হয়নি এবং তাতে ১১২৬ স্মারক নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে গত ১৬ নভেম্বর বিজ্ঞাপনটি সংশোধন করে আবার পত্রিকায় ছাপানো হলে তাতে গত অক্টোবরের ১৬ তারিখের প্রকাশিত একটি স্মারক যাহা ১০১৮ ব্যবহার করা হয়েছে। এসময় চলমান দরপত্রে উল্লিখিত কঠিন শর্ত  বাতিল করে স্বচ্ছতার সঙ্গে নতুন করে দরপত্র আহ্বানের  দাবি জানিয়েছেন ঠিকাদাররা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সঠিক নিয়ম মেনেই দরপত্র আহবান করা হয়েছে।  আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি জানলাম খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

জামালপুরের মাদারগঞ্জ ১০০ শয্যা বিশিষ্ট  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাইফুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে দরপত্র নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যসহ  নানা অনিয়ম ও  দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাইফুল ইসলাম জয় তাঁর পছন্দের ঠিকাদার নির্বাচন করে হাসপাতালের কাজ পাইয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন তিনি। চলমান দরপত্রে উল্লিখিত কঠিন শর্ত  বাতিল করে স্বচ্ছতার সঙ্গে দরপত্র আহ্বানের দাবি জানিয়েছেন  ঠিকাদাররা।

অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদারগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০২৪/২৫ অর্থ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল  সাপ্লাইয়ার ঠিকাদেরর জন্য একটি টেন্ডার নোটিশ আহবান করা হয়। আর এই টেন্ডার নোটিশটিতেও স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশ প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, টেন্ডার নোটিশ আহবানে যে সকল শর্তাবলী ব্যবহার করা প্রয়োজন তা ব্যবহার না করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিভাগীয় নিদিষ্ট কোন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঐ ঠিকাদার কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে এমন কিছু শর্তাবলী উল্লেখ করেছেন যাহা ঐ নিদিষ্ট ঠিকাদার ছাড়া কেউ টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করতে পরবে না।

অভিযোগকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আরও বলেন, জাতীয় দৈনিক দুইটি পত্রিকায় গত ১২ নভেম্বরে যে টেন্ডার নোটিশ আহবানের জন্য বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় তাতে অফিসিয়াল স্মারক, ই-মেইল ও ফোন/মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করা হয়নি এবং তাতে ১১২৬ স্মারক নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে গত ১৬ নভেম্বর বিজ্ঞাপনটি সংশোধন করে আবার পত্রিকায় ছাপানো হলে তাতে গত অক্টোবরের ১৬ তারিখের প্রকাশিত একটি স্মারক যাহা ১০১৮ ব্যবহার করা হয়েছে। এসময় চলমান দরপত্রে উল্লিখিত কঠিন শর্ত  বাতিল করে স্বচ্ছতার সঙ্গে নতুন করে দরপত্র আহ্বানের  দাবি জানিয়েছেন ঠিকাদাররা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সঠিক নিয়ম মেনেই দরপত্র আহবান করা হয়েছে।  আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি জানলাম খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।