বগুড়া নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের পেং হাজারকি নগরপাড়া গ্রামের মৃত কামাল শেখ এর ছেলে হাবিবুর রহমান শেখ (৬৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের খন্দকার পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে রহমতুল্লাহ ওরফে রফিকুল (৫০), রফিকুল ইসলামের ছেলে সাদিক হাসান (২৬), মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মঞ্জু মিয়া (৫০) সহ ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা বিবাদী করে নন্দীগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদীর ছেলে রাসেল শেখ (২০) গত ১ লা ডিসেম্বর সকাল ১১টার সময় বড় ভাই রুবেল শেখ এর বিবাহের মার্কেট করার জন্য শেরপুর মার্কেটের উদ্দেশ্যে চলে যায়। ঐদিন হতে অদ্যবধি পর্যন্ত সে আর বাড়ীতে ফিরে নাই। সে ফেরৎ না আসায় নিখোঁজ হওয়ার কারণে বাদী আশে-পাশের প্রতিবেশীদের ন্যায় বিবাদীগনের বাড়িতেও খোঁজখবর নিতে গেলে বিবাদীদের সহিত সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গত ১০ই ডিসেম্বর রাত্রি ৮টার সময় বিবাদীগনসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ ব্যক্তি হাতে লাঠি সোঠা ও দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর বসতবাড়ীতে এসে অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় বাদীর বসতবাড়ীর যাবতীয় আসবাবপত্র ভাংচুর করে ৪লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাদী ও তার পরিবার বাঁধা দিলে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে।
বাদী জানায়, ১লা ডিসেম্বর আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর বিবাদীগনকে জিজ্ঞাসাবাদ করাকে কেন্দ্র করে এই অতর্কিত হামলা চালিয়ে লুটপাট-ভাংচুর করে। ৪ঠা ডিসেম্বর বিবাদী রহমতুল্লাহ ওরফে রফিকুল মাষ্টারের জৈনক মেয়ে বগুড়া সদর থানার ৯নং ওয়ার্ডের সূত্রাপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। এবিষয়ে তিনি গত ৪ঠা ডিসেম্বরে বগুড়া সদর থানায় কাউকে বিবাদী না করে একটি হারানো ডাইরি দায়ের করে।
স্থানীয় ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি সংরক্ষিত আসনের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান জানায়, বগুড়া সদর থানার স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর সোহাগ বাদীর বসতবাড়িতে গিয়ে বাদী ও তার পরিবারের লোকজন কোন প্রকার বিবাদী না হওয়া সত্ত্বেও সার্চ ওয়ারেন্ট এবং আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই অবৈধ ভাবে নিজ ক্ষমতার বলে নানা রকম ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মহিউদ্দিন জানায়, সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়া কোন বাড়িঘর তল্লাশি এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার বা হয়রানি করার সুযোগ নেই।





















