০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ত্রিশ ব্যবসায়ীর চোখের ঘুম কেরে নিয়ে স্বপ্ন ভাঙলো

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ৩০-এর অধিক দোকান।অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে
গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার  টেংগারচর ইউনিয়ন ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আলী আহমেদ মার্কেটে।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা রিফাত মল্লিক বলেন,বাজারের একটি সেলুন দোকানে প্রথমে আগুন লাগে।এরপর আশপাশের মুদি দোকান, ডিমের দোকান, প্লাস্টিকের দোকান ও হার্ডওয়্যারের দোকান, কাচামাল, ফার্মেসিসহ অন্তত ৩০টির অধিক দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি স্টেশনের চারটি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
আক্তার হোসেন নামে এক দোকানদার বলেন, ‘তার দোকানে নগদ ৫ লাখ টাকাসহ আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মুদি দোকানদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘তার আনুমানিক ৬ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তার দোকানে থাকা মালা মাল সব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তাছাড়া আরো,একাধিক দোকানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় প্রায় কোটি টাকার উপর এ অগ্নিকাণ্ডে দোকান মালিকদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সারা দেশে যখন ব্যবসায়ীদের অবস্থা সূচনীয় ঠিক সে সময়-ই আমাদের ছোট ছোট স্বপ্ন গুলো যে প্রতিষ্ঠান ঘিরে দেখতেছিলাম, গতকালের অগ্নিকাণ্ডে নিমিষেই সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরে,চুন্ন বিচ্চুন্ন হয়ে গেছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ত্রিশ ব্যবসায়ীর চোখের ঘুম কেরে নিয়ে স্বপ্ন ভাঙলো

আপডেট সময় : ০২:১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ৩০-এর অধিক দোকান।অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে
গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার  টেংগারচর ইউনিয়ন ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আলী আহমেদ মার্কেটে।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা রিফাত মল্লিক বলেন,বাজারের একটি সেলুন দোকানে প্রথমে আগুন লাগে।এরপর আশপাশের মুদি দোকান, ডিমের দোকান, প্লাস্টিকের দোকান ও হার্ডওয়্যারের দোকান, কাচামাল, ফার্মেসিসহ অন্তত ৩০টির অধিক দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি স্টেশনের চারটি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
আক্তার হোসেন নামে এক দোকানদার বলেন, ‘তার দোকানে নগদ ৫ লাখ টাকাসহ আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মুদি দোকানদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘তার আনুমানিক ৬ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তার দোকানে থাকা মালা মাল সব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তাছাড়া আরো,একাধিক দোকানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় প্রায় কোটি টাকার উপর এ অগ্নিকাণ্ডে দোকান মালিকদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সারা দেশে যখন ব্যবসায়ীদের অবস্থা সূচনীয় ঠিক সে সময়-ই আমাদের ছোট ছোট স্বপ্ন গুলো যে প্রতিষ্ঠান ঘিরে দেখতেছিলাম, গতকালের অগ্নিকাণ্ডে নিমিষেই সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরে,চুন্ন বিচ্চুন্ন হয়ে গেছে।