১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতি অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদন ঝুলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন

Oplus_0

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে চলছে নানা জটিলতা।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট স্থানীয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী, সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনা আক্তারসহ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সহকারী আশরাফুজ্জামান ফরিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেন। তবে, কয়েকদিন পরেই হাসপাতালের প্রধান সহকারী ফরিদ ও রুনা লিখিতভাবে আবেদন করেন যে, তারা না বুঝে মুচলেকায় স্বাক্ষর করেছেন। সেই সাথে তারা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এর প্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ পায় এবং গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলে এসে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে। তবে আড়াই মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে আগের পদে বহাল রাখা হলেও ফরিদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
এদিকে, হাসপাতালে কর্মরত দুই নার্স জানান, সিলেকশন গ্রেডের টাকা ঢাকার এজি অফিস থেকে পাশ কুরিয়ে আনতে ও একাউন্টস অফিস মিলে খরচ বাবদ আমাদের দুইজনের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা কেটে রাখেন প্রধান সহকারী আশরাফুজ্জামান ফরিদ।
এ বিষয়ে উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, ব্রট টামে দুর্নীতির বিষয় যেটা আছে আপনারা যেটা বলছেন আসলে কে কে সেটায় জড়িত ছিল এটা তদন্তের ভার সিভিল সার্জন স্যারের ও ডিজি অফিসের বিষয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফরিদের বিষয়ে কোন লিখিত বা মৌখিক ভাবে কোন কিছু জানায়নি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন বলেন,আমি মন্ত্রণালয়ে রয়েছি একটু তাড়াতাড়ি বলেন ফরিদ অফিস করতেছে আপাতত। তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের কাছে রয়েছে, প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আমরা দিয়েছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতি অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদন ঝুলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে চলছে নানা জটিলতা।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট স্থানীয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী, সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনা আক্তারসহ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সহকারী আশরাফুজ্জামান ফরিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেন। তবে, কয়েকদিন পরেই হাসপাতালের প্রধান সহকারী ফরিদ ও রুনা লিখিতভাবে আবেদন করেন যে, তারা না বুঝে মুচলেকায় স্বাক্ষর করেছেন। সেই সাথে তারা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এর প্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ পায় এবং গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলে এসে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে। তবে আড়াই মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে আগের পদে বহাল রাখা হলেও ফরিদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
এদিকে, হাসপাতালে কর্মরত দুই নার্স জানান, সিলেকশন গ্রেডের টাকা ঢাকার এজি অফিস থেকে পাশ কুরিয়ে আনতে ও একাউন্টস অফিস মিলে খরচ বাবদ আমাদের দুইজনের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা কেটে রাখেন প্রধান সহকারী আশরাফুজ্জামান ফরিদ।
এ বিষয়ে উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, ব্রট টামে দুর্নীতির বিষয় যেটা আছে আপনারা যেটা বলছেন আসলে কে কে সেটায় জড়িত ছিল এটা তদন্তের ভার সিভিল সার্জন স্যারের ও ডিজি অফিসের বিষয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফরিদের বিষয়ে কোন লিখিত বা মৌখিক ভাবে কোন কিছু জানায়নি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন বলেন,আমি মন্ত্রণালয়ে রয়েছি একটু তাড়াতাড়ি বলেন ফরিদ অফিস করতেছে আপাতত। তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের কাছে রয়েছে, প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আমরা দিয়েছি।