ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিওপি সমূহ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রতিনিয়ত জনসচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে প্রতিনিয়ত প্রেষণা প্রদান করা হচ্ছে।
সভায় বিজিবি এর ভূমিকা- বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক, যেকোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে বিজিবির তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সব সময় দেশের প্রয়োজনে বিজিবি পাশে আছে,
সীমান্তের বর্তমান প্রেক্ষাপট, সীমান্তে চোরাচালান রোধে স্থানীয় জনসাধারণ সম্পৃক্ততা, মানব পাচার রোধে সহযোগিতা, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিরুৎসাহিত করুন কেননা অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে, শীতের সময়, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে বিএসএফ নিজ নিরাপত্তার জন্য যেকোন সময় গুলি করতে পারে। তাই কোন ভাবেই যেন কেউ শূন্য লাইনে ঘুরাফেরা না করে, সীমান্তের শূন্য লাইন হতে ১৫০ গজের মধ্যে গরু-ছাগল না চড়ানো, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হওয়া, মাদক সেবনে সমাজে কুফল, আন্তঃসীমান্ত অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত না হওয়া, নারী-শিশু পাচার ও অবৈধ সীমান্ত পারাপার এবং চোরাচালানের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা, সীমান্তের শূন্য লাইন হতে ১৫০ গজের মধ্যের ভারতীয় ও বাংলাদেশী নাগরিকের জমি লিজ দেয়া-নেয়া না করা, সীমান্তের ওপারের গুরুত্বপূর্ণ কোন তথ্য থাকলে তা বিজিবিকে অবহিত করা, সীমান্তবর্তী নদী হতে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে সচেতন থাকা ও প্রশাসনকে অবহিত করা, হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন প্রপাগান্ডা রোধে সকলকে সচেতন থাকা, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ রোধকল্পে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) এর জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ড ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে এই বিষয়ে আলোচনা করেন ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জি আর্টিলারি।




















