০৩:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল

মাঘের জারে বাঘ কাঁন্দে প্রবাদ থাকলেও চলতি মৌসুমে মাঘের জারে মানুষ
কাঁদছে। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লারমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। মাঘের দ্বিতীয়
সপ্তাহের শুরুতেই হাড়কাঁপানো শীত আর হিমেল হাওয়ার তীব্রতায় কাঁপছে উত্তরের জনপদের মানুষ।
গত তিন দিন ধরে রংপুর অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শীতের তীব্রতার সঙ্গে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের
প্রভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কখনো কখনো সূর্যের দেখা মিললেও আকাশ থাকছে ঘন
কুয়াশায় আচ্ছন্ন। সন্ধ্যা হওয়ার আগেই কাঁপুনি দিয়ে অনুভূত হচ্ছে শীত। আগুন পোহাতে
গিয়ে ঘটছে দগ্ধ হওয়ার ঘটনা। মাঘের মাঝামাঝি শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কায় শঙ্কিত রংপুর
অঞ্চলের শীতার্ত অসহায় মানুষ। খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় দুর্ভোগ
বেড়েছে কয়েকগুণ। নদ-নদীর তীরবর্তী ও ছিন্নমূল মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শীতের সকালে
গ্রামীণ মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শীতের পাশাপাশি কুয়াশা বেশি
হওয়ায় সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি। এতে পরিবহন চলছে ধীরগতিতে। কুয়াশাচ্ছন্ন
প্রকৃতির কারণে সড়কের কোথাও কোথাও ঘটছে দুর্ঘটনা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ
রংপুর বিভাগের জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শীতের কারণে বেড়েছে
ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে
আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছে ছিন্নমূল ও নিম্ন
আয়ের মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়ার
প্রভাবে রংপুরের ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে। শীতজনিত নানা রোগ রংপুর
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। শীত নিবারণে
আগুন জ্বালানোর ফলে অনেকেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গত এক মাসে অগ্নিদগ্ধ
হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসকগণ বলেন, শীতজনিত রোগবালাই বিশেষ করে নিউমোনিয়া,
কোল্ড ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু ও বয়স্ক
মানুষ। শীতজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত প্রায় সহস্রাধিক শিশু গত কয়েক দিনে
ভর্তি হয়েছে। এসব রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করতে গরম কাপড় পরানো জরুরি। মা’দের খেয়াল রাখতে
হবে কোনোভাবেই যেন বাচ্চাদের শীত না লাগে। তবে বেশি অসুস্থ মনে হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র কিংবা
হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। রংপুর আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, ২২
জানুয়ারি বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুরে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি
সেলসিয়াস। এর আগের দিন এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৭ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের এ তীব্রতা আরও দু-এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পঞ্চগড়ে ২২ জানুয়ারি বুধবার সকাল
৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার
সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা
রেকর্ড হয়েছিল ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার আবৃত ছিল।
সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। হিমশীতল বাতাসে বিপর্যন্ত
পরিস্থিতি হয়েছে। নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত কোনো ফ্লাইট
অবতরণ বা উড্ডয়ন করেনি। ফলে ৪টি ফ্লাইটের শতাধিক ঢাকাগামী যাত্রী আটকা পড়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ২৫
মিনিটে ছেড়ে আসা ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্স-এর ১৮৩ নম্বর ইউএস বাংলা একটি ফ্লাইট
অবতরণ করে সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে। বুধবার এই ফ্লাইটটিসহ ৪টি ফ্লাইট আসেনি। ঘন
কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কম থাকায় বিমান উঠানামায় ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কায় ফ্লাইটটি
ঢাকা থেকেই আসেনি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান
হাকিম বলেন, রাত থেকেই সৈয়দপুরসহ নীলফামারী জেলা তথা উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। এর
ফলে দৃষ্টিসীমা কমে দাঁড়িয়েছে ১০০০ মিটার। আর সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল মাত্র ১২ দশমিক শূন্য
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভাসমান মানুষ শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। রংপুর মহানগরীতেই বাস করেন
প্রায় ৭০ হাজার ভাসমান মানুষ। তারা রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ
বিভিন্ন অফিস-আদালতের বারান্দা আর ফুটপাতে রাত কাটান। রংপুরের আট উপজেলার তিস্তা,
ঘাঘট, করতোয়া, যমুনেশ্বরী নদীর চরাঞ্চলে বসবাসকারী হাজার হাজার পরিবার শীতে মানবেতর
জীবনযাপন করছে। রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও
ঠাকুরগাঁও জেলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রংপুরের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল বলেন, শীতের শুরুতেই ৩১ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা
হয়েছে এবং আরও কম্বল বিতরণের কাজ চলছে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের
মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

মাঘের জারে বাঘ কাঁন্দে প্রবাদ থাকলেও চলতি মৌসুমে মাঘের জারে মানুষ
কাঁদছে। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লারমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। মাঘের দ্বিতীয়
সপ্তাহের শুরুতেই হাড়কাঁপানো শীত আর হিমেল হাওয়ার তীব্রতায় কাঁপছে উত্তরের জনপদের মানুষ।
গত তিন দিন ধরে রংপুর অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শীতের তীব্রতার সঙ্গে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের
প্রভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কখনো কখনো সূর্যের দেখা মিললেও আকাশ থাকছে ঘন
কুয়াশায় আচ্ছন্ন। সন্ধ্যা হওয়ার আগেই কাঁপুনি দিয়ে অনুভূত হচ্ছে শীত। আগুন পোহাতে
গিয়ে ঘটছে দগ্ধ হওয়ার ঘটনা। মাঘের মাঝামাঝি শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কায় শঙ্কিত রংপুর
অঞ্চলের শীতার্ত অসহায় মানুষ। খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় দুর্ভোগ
বেড়েছে কয়েকগুণ। নদ-নদীর তীরবর্তী ও ছিন্নমূল মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শীতের সকালে
গ্রামীণ মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শীতের পাশাপাশি কুয়াশা বেশি
হওয়ায় সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি। এতে পরিবহন চলছে ধীরগতিতে। কুয়াশাচ্ছন্ন
প্রকৃতির কারণে সড়কের কোথাও কোথাও ঘটছে দুর্ঘটনা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ
রংপুর বিভাগের জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শীতের কারণে বেড়েছে
ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে
আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছে ছিন্নমূল ও নিম্ন
আয়ের মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়ার
প্রভাবে রংপুরের ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে। শীতজনিত নানা রোগ রংপুর
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। শীত নিবারণে
আগুন জ্বালানোর ফলে অনেকেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গত এক মাসে অগ্নিদগ্ধ
হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসকগণ বলেন, শীতজনিত রোগবালাই বিশেষ করে নিউমোনিয়া,
কোল্ড ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু ও বয়স্ক
মানুষ। শীতজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত প্রায় সহস্রাধিক শিশু গত কয়েক দিনে
ভর্তি হয়েছে। এসব রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করতে গরম কাপড় পরানো জরুরি। মা’দের খেয়াল রাখতে
হবে কোনোভাবেই যেন বাচ্চাদের শীত না লাগে। তবে বেশি অসুস্থ মনে হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র কিংবা
হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। রংপুর আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, ২২
জানুয়ারি বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুরে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি
সেলসিয়াস। এর আগের দিন এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৭ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের এ তীব্রতা আরও দু-এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পঞ্চগড়ে ২২ জানুয়ারি বুধবার সকাল
৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার
সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা
রেকর্ড হয়েছিল ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার আবৃত ছিল।
সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। হিমশীতল বাতাসে বিপর্যন্ত
পরিস্থিতি হয়েছে। নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত কোনো ফ্লাইট
অবতরণ বা উড্ডয়ন করেনি। ফলে ৪টি ফ্লাইটের শতাধিক ঢাকাগামী যাত্রী আটকা পড়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ২৫
মিনিটে ছেড়ে আসা ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্স-এর ১৮৩ নম্বর ইউএস বাংলা একটি ফ্লাইট
অবতরণ করে সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে। বুধবার এই ফ্লাইটটিসহ ৪টি ফ্লাইট আসেনি। ঘন
কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কম থাকায় বিমান উঠানামায় ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কায় ফ্লাইটটি
ঢাকা থেকেই আসেনি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান
হাকিম বলেন, রাত থেকেই সৈয়দপুরসহ নীলফামারী জেলা তথা উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। এর
ফলে দৃষ্টিসীমা কমে দাঁড়িয়েছে ১০০০ মিটার। আর সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল মাত্র ১২ দশমিক শূন্য
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভাসমান মানুষ শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। রংপুর মহানগরীতেই বাস করেন
প্রায় ৭০ হাজার ভাসমান মানুষ। তারা রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ
বিভিন্ন অফিস-আদালতের বারান্দা আর ফুটপাতে রাত কাটান। রংপুরের আট উপজেলার তিস্তা,
ঘাঘট, করতোয়া, যমুনেশ্বরী নদীর চরাঞ্চলে বসবাসকারী হাজার হাজার পরিবার শীতে মানবেতর
জীবনযাপন করছে। রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও
ঠাকুরগাঁও জেলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রংপুরের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল বলেন, শীতের শুরুতেই ৩১ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা
হয়েছে এবং আরও কম্বল বিতরণের কাজ চলছে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের
মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।