০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় স্বচ্ছতা ফেরাতে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা পদে ব্যাপক রদবদল

নওগাঁর ১১টি উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর কাজে স্বচ্ছতা, হয়রানী মুক্ত সেবা প্রদান ও কাজের গতিশীলতা ফেরাতে ব্যাপক রদবদল করেছে জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ৩১জন ইউনিয়ন ভথমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে একযোগে জেলার ১১টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী/পদায়ন করা হয়েছে। ইউনিয়ন ভথমি অফিসগুলোয় অনেক বছর পর এই রকম বড় ধরণের রদবদল করায় জেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছে নওগাঁর সচেতন মহল।
নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা মুঠোফোনে জানান ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়মানুসারে ও জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা জুড়ে ৩১জন ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাদের বদলী করা হয়েছে। বদলীকৃত কর্মকর্তাদের অনেকেরই একই অফিসে ৩বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। এছাড়া অনেকের বদলীর আবেদন ছিলো। আবার অনেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও ছিলো। একজন কর্মকর্তা যখন একই অফিসে দীর্ঘতিন অবস্থান করে তখন সেখানে একটি প্রভাব বিস্তার হয়। ফলে ওই এলাকার সেবা গ্রহিতারা সঠিক ভাবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন। তাই সকল বিষয় বিবেচনা সাপেক্ষে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফেরাতেই মূলত এমন বড়ধরণের রদবদল করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে সবচেয়ে বেশি জেলার সদর ও রাণীনগর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা (টিডিআর) কে বদলী করা হয়েছে। এরপর মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলার ৪টি এবং মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর ও ধামইরহাট উপজেলার ৩টি করে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে বদলী করা হয়েছে। এছাড়া আত্রাই উপজেলার ২টি, পোরশা ও সাপাহার উপজেলার ১টি করে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রদবদল করা হয়েছে। এতে করে ভূমি অফিসগুলোয় কিছুটা হলেও হয়রানী ও দালালদের উৎপাত এবং ঘুষ বাণিজ্য কমার আশা প্রকাশ করছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ।
জেলার রাণীনগর উপজেলার রাণীনগর-গোনা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা মোসা: ফাতেমা খাতুন ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত। গত বছর একজন সেবাগ্রহিতার কাছ থেকে ১শত টাকার খাজনার রশিদ প্রদান করতে আড়াই হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি সংবাদকর্মীরা প্রকাশ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এছাড়া মামুন নামের একজন বহিরাগতকে দিয়ে অফিসের কম্পিউটার বিষয়ে সকল কাজ করার নামে মামুনের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য চালানোর বিষয়টি সংবাদকর্মীরা প্রশাসনের নজরে আনলে উপজেলা প্রশাসন ফাতেমা খাতুনকে খাজনা আদায়ের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করে। এতে করে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে ইউনিয়নের সেবাগ্রহিতাদের মাঝে। সেই আলোচিত ফাতেমা খাতুনকে জেলার মান্দা উপজেলার মৈনম-গনেশপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী করা হয়েছে। এই রকমের অনেক আলোচিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদেরও বদলী করানো হয়েছে।
জেলার রাণীনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেবাগ্রহিতা কাজী কুদ্দুস জানান ফাতেমা খাতুনের মতো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে এই জেলার কোথাও রাখা উচিত নয়। তিনি আমার কাছ থেকে ১শত টাকার খাজনার রশিদ দিতে আড়াই হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন এবং হয়রানী করেছেন। কোন সেবাগ্রহিতা ফাতেমা খাতুনের কাছ থেকে ঘুষ ছাড়া সেবা পায়নি। পরবর্তিতে আমি যাবতীয় তথ্যাদি ও প্রকাশিত সংবাদের কপিসহ জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে ফাতেমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছিলাম। ফাতেমার বদলীতে আমিসহ ওই ইউনিয়নের সকল সেবাগ্রহিতারা স্বস্তি পেয়েছে কিন্তু তাকে শাস্তিমূলক বদলী হিসেবে জেলার বাহিরে দুর্গম এলাকায় বদলী করা প্রয়োজন ছিলো। তাহলে ফাতেমা খাতুন বুঝতেন সেবাগ্রহিতাদের অহেতুক হয়রানী করলে, বেকায়দায় ফেলে জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে কি শাস্তি পাওয়া যায়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, যখন কোন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী একই স্টেশনে দীর্ঘদিন চাকরী করেন তখন স্বভাবতই সেখানে একটি প্রভাব বিস্তার করেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ অফিস ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এই ঘটনাগুলো বেশি হয়ে থাকে। এই অফিসগুলো থেকে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষরা সেবা গ্রহণ করে থাকেন যে, মানুষগুলোর কাছে সরকারি অফিস মানেই অনেক ভয়ের একটি স্থান হিসেবে বিবেচিত। সেই মানুষদের কারণে-অকারণে বিপদে ফেলে হয়ারানী করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। এই কারণে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একজন কর্মকর্তাকে বেশিদিন চাকুরী করা উচিত নয়।
তাই আগামীর নতুন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন ভূমি সংক্রান্ত কাজগুলো ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে কোন প্রকারের হয়রানী ও ঘুষ ছাড়াই কর্মঘন্টা নষ্ট না করেই খুব সহজেই সেবা পেতে পারেন ইত্যাদি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে এমন রদবদল করা হয়েছে। এছাড়া সেবাগ্রহিতারা হয়রানী ও ঘুষ ছাড়াই সেবা পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আগামীতে যদি ইউনিয়ন ভূমি অফিস পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন প্রকারের হয়রানী কিংবা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠিন বিভাগীয় শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

নওগাঁয় স্বচ্ছতা ফেরাতে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা পদে ব্যাপক রদবদল

আপডেট সময় : ০১:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
নওগাঁর ১১টি উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর কাজে স্বচ্ছতা, হয়রানী মুক্ত সেবা প্রদান ও কাজের গতিশীলতা ফেরাতে ব্যাপক রদবদল করেছে জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ৩১জন ইউনিয়ন ভথমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে একযোগে জেলার ১১টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী/পদায়ন করা হয়েছে। ইউনিয়ন ভথমি অফিসগুলোয় অনেক বছর পর এই রকম বড় ধরণের রদবদল করায় জেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছে নওগাঁর সচেতন মহল।
নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা মুঠোফোনে জানান ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়মানুসারে ও জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা জুড়ে ৩১জন ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাদের বদলী করা হয়েছে। বদলীকৃত কর্মকর্তাদের অনেকেরই একই অফিসে ৩বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। এছাড়া অনেকের বদলীর আবেদন ছিলো। আবার অনেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও ছিলো। একজন কর্মকর্তা যখন একই অফিসে দীর্ঘতিন অবস্থান করে তখন সেখানে একটি প্রভাব বিস্তার হয়। ফলে ওই এলাকার সেবা গ্রহিতারা সঠিক ভাবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন। তাই সকল বিষয় বিবেচনা সাপেক্ষে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফেরাতেই মূলত এমন বড়ধরণের রদবদল করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে সবচেয়ে বেশি জেলার সদর ও রাণীনগর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা (টিডিআর) কে বদলী করা হয়েছে। এরপর মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলার ৪টি এবং মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর ও ধামইরহাট উপজেলার ৩টি করে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে বদলী করা হয়েছে। এছাড়া আত্রাই উপজেলার ২টি, পোরশা ও সাপাহার উপজেলার ১টি করে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রদবদল করা হয়েছে। এতে করে ভূমি অফিসগুলোয় কিছুটা হলেও হয়রানী ও দালালদের উৎপাত এবং ঘুষ বাণিজ্য কমার আশা প্রকাশ করছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ।
জেলার রাণীনগর উপজেলার রাণীনগর-গোনা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা মোসা: ফাতেমা খাতুন ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত। গত বছর একজন সেবাগ্রহিতার কাছ থেকে ১শত টাকার খাজনার রশিদ প্রদান করতে আড়াই হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি সংবাদকর্মীরা প্রকাশ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এছাড়া মামুন নামের একজন বহিরাগতকে দিয়ে অফিসের কম্পিউটার বিষয়ে সকল কাজ করার নামে মামুনের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য চালানোর বিষয়টি সংবাদকর্মীরা প্রশাসনের নজরে আনলে উপজেলা প্রশাসন ফাতেমা খাতুনকে খাজনা আদায়ের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করে। এতে করে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে ইউনিয়নের সেবাগ্রহিতাদের মাঝে। সেই আলোচিত ফাতেমা খাতুনকে জেলার মান্দা উপজেলার মৈনম-গনেশপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী করা হয়েছে। এই রকমের অনেক আলোচিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদেরও বদলী করানো হয়েছে।
জেলার রাণীনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেবাগ্রহিতা কাজী কুদ্দুস জানান ফাতেমা খাতুনের মতো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে এই জেলার কোথাও রাখা উচিত নয়। তিনি আমার কাছ থেকে ১শত টাকার খাজনার রশিদ দিতে আড়াই হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন এবং হয়রানী করেছেন। কোন সেবাগ্রহিতা ফাতেমা খাতুনের কাছ থেকে ঘুষ ছাড়া সেবা পায়নি। পরবর্তিতে আমি যাবতীয় তথ্যাদি ও প্রকাশিত সংবাদের কপিসহ জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে ফাতেমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছিলাম। ফাতেমার বদলীতে আমিসহ ওই ইউনিয়নের সকল সেবাগ্রহিতারা স্বস্তি পেয়েছে কিন্তু তাকে শাস্তিমূলক বদলী হিসেবে জেলার বাহিরে দুর্গম এলাকায় বদলী করা প্রয়োজন ছিলো। তাহলে ফাতেমা খাতুন বুঝতেন সেবাগ্রহিতাদের অহেতুক হয়রানী করলে, বেকায়দায় ফেলে জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে কি শাস্তি পাওয়া যায়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, যখন কোন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী একই স্টেশনে দীর্ঘদিন চাকরী করেন তখন স্বভাবতই সেখানে একটি প্রভাব বিস্তার করেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ অফিস ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এই ঘটনাগুলো বেশি হয়ে থাকে। এই অফিসগুলো থেকে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষরা সেবা গ্রহণ করে থাকেন যে, মানুষগুলোর কাছে সরকারি অফিস মানেই অনেক ভয়ের একটি স্থান হিসেবে বিবেচিত। সেই মানুষদের কারণে-অকারণে বিপদে ফেলে হয়ারানী করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। এই কারণে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একজন কর্মকর্তাকে বেশিদিন চাকুরী করা উচিত নয়।
তাই আগামীর নতুন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন ভূমি সংক্রান্ত কাজগুলো ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে কোন প্রকারের হয়রানী ও ঘুষ ছাড়াই কর্মঘন্টা নষ্ট না করেই খুব সহজেই সেবা পেতে পারেন ইত্যাদি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে এমন রদবদল করা হয়েছে। এছাড়া সেবাগ্রহিতারা হয়রানী ও ঘুষ ছাড়াই সেবা পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আগামীতে যদি ইউনিয়ন ভূমি অফিস পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন প্রকারের হয়রানী কিংবা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠিন বিভাগীয় শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।