০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জুলাইয়ে হামলায় ৮৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী ও এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৮৪ শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিন কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার বহিষ্কৃতদের নাম-পরিচয় জানা গেছে। বহিষ্কৃতরা সকলেই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এর আগে গত ১৪ ও ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একই দিনে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফির ওপর হামলা করা হয়। এ ছাড়া গত ১৯ জুলাই রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ক্যাম্পাস সাংবাদিক শাহরিয়াজ মোহাম্মদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
বহিষ্কৃতরা হলেন, ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাঈদ, ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবীব সোপান, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফ উদ্দীন, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিবলু চৌধুরী আইইআরের শিক্ষার্থী শিবু চৌধুরী এবং নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুল হুদা লোটাস।
২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসীন আরাফাত, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রমজান হোসাইন, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম, পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী, শফিকুল ইসলাম শাওন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নছুরুল আবেদীন মনছুর, সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থীনয়ন মোদক, মেরিন সায়েন্সেস ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাশরুর কামাল অনিক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন ও আল- আমিন শান্ত, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আফ্ফান সজিব এবং  ইসহাক আলম ফরহাদ।
২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী বখতেয়ার এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী প্রবাল পাল। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী খালেদ মাসুদ, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিন রুবেল, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান সুমন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আফ্রিদী নিটু, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী জর্জ মিয়া, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী এস. এম ফয়সাল।
২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আকিভ জাভেদ, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সৌরভ ভূঁইয়া, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর আলম তুষার, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অনুপ সরকার আকাশ, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইসহাক আলম ফরহাদ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল আহমদ, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শহিদুর রহমান স্বপন, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আলফাত রাব্বাকিয়ান মামুন, বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তাইফ পাঠান, গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাব্বির ভূঁইয়া, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ জোবায়ের নিলয়, মিলন শেখ ও আরশিল আজিম নিলয় এবং ওশানোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী অলয় দাশ।
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান ও আল মামুন প্রান্ত, আরবী বিভাগের শিক্ষার্থী মোমিনুর রহমান আসিফ, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আল-আমিন তুষার এবং ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন কুমার কৃর্তনিয়া। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন চন্দ্র বর্মণ (হিমাদ্র), আইইআরের শিক্ষার্থী সাজেদুল ইসলাম পিয়াল, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আপেল মিয়া (রিয়াদ), ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব মাহাদী, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান এবং ইন্সটিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের শিক্ষার্থী মোঃ মুন্না খান।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী আজিজুল ইসলাম ওরফে (আজিজ ওয়েসী) এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহেদ জিহান। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার নোবেল। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল ফাহিম ও নাফিজ মাহমুদ।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, অভিযুক্তদের বহিষ্কারের সংবাদ বিভাগের পাঠানো হবে এবং তাদেরকে ১৫ দিনের মত আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় দেওয়া হবে। অভিযোগের যেহেতু আমরা সত্যতা পেয়েছি, সেহেতু শাস্তি বহাল রাখা হবে। আর যারা ইতিমধ্যে পরীক্ষা দিয়েছে রেজাল্টও প্রকাশ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায় ৭৩ জন এবং চবি সাংবাদিক সমিতির এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় ১১ জনসহ মোট ৮৪ জনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জুলাইয়ে হামলায় ৮৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী ও এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৮৪ শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিন কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার বহিষ্কৃতদের নাম-পরিচয় জানা গেছে। বহিষ্কৃতরা সকলেই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এর আগে গত ১৪ ও ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একই দিনে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফির ওপর হামলা করা হয়। এ ছাড়া গত ১৯ জুলাই রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ক্যাম্পাস সাংবাদিক শাহরিয়াজ মোহাম্মদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
বহিষ্কৃতরা হলেন, ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাঈদ, ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবীব সোপান, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফ উদ্দীন, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিবলু চৌধুরী আইইআরের শিক্ষার্থী শিবু চৌধুরী এবং নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুল হুদা লোটাস।
২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসীন আরাফাত, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রমজান হোসাইন, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম, পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী, শফিকুল ইসলাম শাওন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নছুরুল আবেদীন মনছুর, সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থীনয়ন মোদক, মেরিন সায়েন্সেস ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাশরুর কামাল অনিক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন ও আল- আমিন শান্ত, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আফ্ফান সজিব এবং  ইসহাক আলম ফরহাদ।
২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী বখতেয়ার এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী প্রবাল পাল। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী খালেদ মাসুদ, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিন রুবেল, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান সুমন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আফ্রিদী নিটু, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী জর্জ মিয়া, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী এস. এম ফয়সাল।
২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আকিভ জাভেদ, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সৌরভ ভূঁইয়া, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া, সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর আলম তুষার, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অনুপ সরকার আকাশ, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইসহাক আলম ফরহাদ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল আহমদ, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শহিদুর রহমান স্বপন, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আলফাত রাব্বাকিয়ান মামুন, বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তাইফ পাঠান, গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাব্বির ভূঁইয়া, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ জোবায়ের নিলয়, মিলন শেখ ও আরশিল আজিম নিলয় এবং ওশানোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী অলয় দাশ।
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান ও আল মামুন প্রান্ত, আরবী বিভাগের শিক্ষার্থী মোমিনুর রহমান আসিফ, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আল-আমিন তুষার এবং ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন কুমার কৃর্তনিয়া। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন চন্দ্র বর্মণ (হিমাদ্র), আইইআরের শিক্ষার্থী সাজেদুল ইসলাম পিয়াল, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আপেল মিয়া (রিয়াদ), ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব মাহাদী, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান এবং ইন্সটিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের শিক্ষার্থী মোঃ মুন্না খান।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী আজিজুল ইসলাম ওরফে (আজিজ ওয়েসী) এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহেদ জিহান। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার নোবেল। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল ফাহিম ও নাফিজ মাহমুদ।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, অভিযুক্তদের বহিষ্কারের সংবাদ বিভাগের পাঠানো হবে এবং তাদেরকে ১৫ দিনের মত আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় দেওয়া হবে। অভিযোগের যেহেতু আমরা সত্যতা পেয়েছি, সেহেতু শাস্তি বহাল রাখা হবে। আর যারা ইতিমধ্যে পরীক্ষা দিয়েছে রেজাল্টও প্রকাশ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায় ৭৩ জন এবং চবি সাংবাদিক সমিতির এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় ১১ জনসহ মোট ৮৪ জনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।