যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি রোগী নজরুল ইসলামের মৃত্যুর পর স্বজনদের বিরুদ্ধে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০ টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নজরুল ইসলাম যশোর শহরের বারান্দীপাড়া বউ বাজার এলাকার মৃত বাবু মিয়ার ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ,ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মারধরের শিকার চিকিৎসক ইফতে খায়রুল আলম শুভ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর ৩ টা ১৫ মিনিটে পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হন নজরুল ইসলাম। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে তিনি মারা যান। ভর্তির পর থেকে রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছিলো।
এদিকে, নজরুল ইসলামের মৃত্যুর পর তার ছেলে ইমরান হোসেনসহ অন্য স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক
ইফতে খায়রুল আলম শুভর ওপর চড়াও হন।
এসময় তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। পরে অন্য রোগীর স্বজনরা ওই চিকিৎসককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
মৃত রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, পেটে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে নজরুল ইসলাম হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অন্য কোন জটিলতা ছিলো না। ভুল চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়েছে।
এই বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বজলুর রশিদ টুলু বলেন, ঘটনাটি জানার সাথেই তিনি হাসপাতালে যান। রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা অন্যায়ভাবে একজন ইনটার্ন চিকিৎসকে মারধর করেছে। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হলে তারা কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে পারতেন। যা ঘটেছে তা রীতিমতো দুঃখজনক।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. হিমাদ্রী শেখর সরকার জানান, মেডিসিন ওয়ার্ডে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনরা দায়িত্বরত একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকে মারধর করেছে বলে শুনেছেন৷ রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করবেন কিভাবে।




















