জামালপুরে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ইংরেজি পত্রিকা বাংলাদেশ টুডে’র সাংবাদিক এম. সুলতান আলম।
প্রায় এক মাস গলব্লাডার ও লিভার ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ শেষে মঙ্গলবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে শহরের লাঙ্গলজোড়ায় নিজ বাড়িতে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন এই সাংবাদিক। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দি বাংলাদেশ টুডে পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান আলম। ৫৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি সাংবাদিকতায় শেষ করেছেন ৩০ বছর।
সাংবাদিক এম. সুলতান আলম লাঙ্গলজোড়া গ্রামের মৃত. জয়নাল আবেদীনের সন্তান। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন নি:সন্তান। তার স্ত্রী শাহিদা আক্তার মলিসহ স্বজনদের সাথে লাঙ্গলজোড়ার বাড়িতেই বাস করতেন তিনি।
সাংবাদিক এম. সুলতান আলমের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী ও পুরো জেলার সাংবাদিক সহকর্মীদের মাঝে। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে প্রেসক্লাব জামালপুর ও অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কসহ জেলার সাংবাদিক সংগঠনগুলো।
মঙ্গলবার বাদ জোহর বাড়ির পাশে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাযার নামাজ শেষে জামালপুর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয় সাংবাদিক সুলতান আলমের মরদেহ।
সাংবাদিক এম. সুলতান আলমের ভাতিজা শাহরিয়ার হাসান উল্লাস বলেন, ‘অসুস্থতার শুরু থেকেই অর্থের অভাবে চিকিৎসা করানো যায়নি চাচাকে। যেখান থেকে যা পেয়েছি তাই দিয়ে কোনো রকম চিকিৎসা হয়েছে। সবশেষ ক্যান্সারের পাশাপাশি জন্ডিসে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহত হয়। আমাদের অর্থের জোগান না থাকায় আমি তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনি। তিনি বাড়িতেই ধুকে ধুকে তার জীবন পাড় করছিলেন। অবশেষে রাতে অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন আমার চাচা সাংবাদিক এম. সুলতান আলম।’




















