০১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে মুয়াজ্জিনের দোকান ও সম্পত্তি জবরদখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

oplus_0

লক্ষ্মীপুরে এক নিরিহ মুয়াজ্জিনের দোকান ঘর জবর দখলের
প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি ও তার পরিবার। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর
প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের অফিস কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী
আঃ রহমান নামের ওই মুয়াজ্জিন জানান, বিগত সরকারের সময় ফ্যাসিবাদের দোসর
স্থানীয় আঃলীগের খালেক মাষ্টার ও সেনা সদস্য কফিল উদ্দিন সহ তার ভাড়াটিয়া
কয়েকজন সন্ত্রাসীরা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৮ নং কুশাখালী ইউনিয়নের শান্তির হাট
বাজারে দোকান ও বাড়ীর বেশ কছিু সম্পত্তি জবর করে নেয়। বাধা দেওয়ায় তার উপর
অমানবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে নির্যাতনের স্মৃতি স্মরন করে কান্নায়
ভেঙ্গে পড়েন তিনি। মুয়াজ্জিন রহমান খরিদসূত্রে মালিক সহ ওই দোকান ঘর ও
সম্পত্তির দখলে ছিলেন বলে দাবী তার।
সংবাদ সন্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার প্রভাব
খাটিয়ে হঠাং করে একদিন গভীর রাত্রে আঃ খালেক মাষ্টার বহিরাগত কয়েকজন
সন্ত্রাসী নিয়ে দোকান ঘর ভাংচুর করে অবৈধ ভাবে জবর দখল করে নেয়। তাতে বাধা
দিতে আসলে খালেক মাষ্টার ও তার লোকজন মুয়াজ্জিনকে মারধর করে বস্তাবন্দি করে
ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ছাড়াও একই
ভাবে সেনাসদস্য কফিল উদ্দিন, বাবুল, হেলাল, মহিন গং বসতবাড়িতে গায়ের
জোরে জবরদখল করতে আসে মুয়াজ্জিনের আবদুর রহমানের মুল্যবান সম্পত্তি।
মুয়াজ্জিন আঃ রহমানের ছেলে মোঃ দিদার হোসেন বলেন আমার বাবা নিরিহ মানুষ।
তিনি জুলুমবাজদের অত্যাচারের শিকার। বারবার তিনি মারধরের শিকার হয়েছেন। তার
দাবী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন শালিসী বৈঠকে দোকান ও সম্পত্তি
তাদের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরে ও তারা নানা ভাবে হয়রানির শিকার। ৫ আগষ্টের
পটপরিবর্তনের পর তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে আনার পর আবরো ওই চক্র এ নিয়ে
নানাভাবে ষড়যন্ত্র সহ অব্যাহত হুমকি ধমকিতে আতংকিত মুয়াজ্জিন আঃরহমানের
পরিবার আতংকগ্রস্থ হয়ে তাদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা
কামনায় এই সংবাদ সন্মেলনের আয়োজন করেন বলে জানায়। কাগজপত্র যাচাই
বাচাই করে যদি আমরা পাপ্য হই তাহলে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিতে আমরা সমাজের
প্রতি আহ্ধসঢ়;বান জানাই।

তবে এ বিষয়ে আঃ খালেক মাষ্টার ও সেনা সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন, সাফ কবলা মুলে
এগুলো তাদের খরিদা সম্পত্তি বলে দাবী করেন। কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে সমাজের
দায়িত্বশীলরা তাদের মালিকানা বুঝিয়ে দিয়েছে বলে জানান তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

লক্ষ্মীপুরে মুয়াজ্জিনের দোকান ও সম্পত্তি জবরদখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

লক্ষ্মীপুরে এক নিরিহ মুয়াজ্জিনের দোকান ঘর জবর দখলের
প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি ও তার পরিবার। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর
প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের অফিস কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী
আঃ রহমান নামের ওই মুয়াজ্জিন জানান, বিগত সরকারের সময় ফ্যাসিবাদের দোসর
স্থানীয় আঃলীগের খালেক মাষ্টার ও সেনা সদস্য কফিল উদ্দিন সহ তার ভাড়াটিয়া
কয়েকজন সন্ত্রাসীরা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৮ নং কুশাখালী ইউনিয়নের শান্তির হাট
বাজারে দোকান ও বাড়ীর বেশ কছিু সম্পত্তি জবর করে নেয়। বাধা দেওয়ায় তার উপর
অমানবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে নির্যাতনের স্মৃতি স্মরন করে কান্নায়
ভেঙ্গে পড়েন তিনি। মুয়াজ্জিন রহমান খরিদসূত্রে মালিক সহ ওই দোকান ঘর ও
সম্পত্তির দখলে ছিলেন বলে দাবী তার।
সংবাদ সন্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার প্রভাব
খাটিয়ে হঠাং করে একদিন গভীর রাত্রে আঃ খালেক মাষ্টার বহিরাগত কয়েকজন
সন্ত্রাসী নিয়ে দোকান ঘর ভাংচুর করে অবৈধ ভাবে জবর দখল করে নেয়। তাতে বাধা
দিতে আসলে খালেক মাষ্টার ও তার লোকজন মুয়াজ্জিনকে মারধর করে বস্তাবন্দি করে
ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ছাড়াও একই
ভাবে সেনাসদস্য কফিল উদ্দিন, বাবুল, হেলাল, মহিন গং বসতবাড়িতে গায়ের
জোরে জবরদখল করতে আসে মুয়াজ্জিনের আবদুর রহমানের মুল্যবান সম্পত্তি।
মুয়াজ্জিন আঃ রহমানের ছেলে মোঃ দিদার হোসেন বলেন আমার বাবা নিরিহ মানুষ।
তিনি জুলুমবাজদের অত্যাচারের শিকার। বারবার তিনি মারধরের শিকার হয়েছেন। তার
দাবী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন শালিসী বৈঠকে দোকান ও সম্পত্তি
তাদের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরে ও তারা নানা ভাবে হয়রানির শিকার। ৫ আগষ্টের
পটপরিবর্তনের পর তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে আনার পর আবরো ওই চক্র এ নিয়ে
নানাভাবে ষড়যন্ত্র সহ অব্যাহত হুমকি ধমকিতে আতংকিত মুয়াজ্জিন আঃরহমানের
পরিবার আতংকগ্রস্থ হয়ে তাদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা
কামনায় এই সংবাদ সন্মেলনের আয়োজন করেন বলে জানায়। কাগজপত্র যাচাই
বাচাই করে যদি আমরা পাপ্য হই তাহলে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিতে আমরা সমাজের
প্রতি আহ্ধসঢ়;বান জানাই।

তবে এ বিষয়ে আঃ খালেক মাষ্টার ও সেনা সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন, সাফ কবলা মুলে
এগুলো তাদের খরিদা সম্পত্তি বলে দাবী করেন। কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে সমাজের
দায়িত্বশীলরা তাদের মালিকানা বুঝিয়ে দিয়েছে বলে জানান তারা।