০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, শিক্ষক আটক

Oplus_131072

মানিকগঞ্জে শিবালয়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গোবিন্দ চন্দ্র শীল নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। গত কাল বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে শিবালয় থানা পুলিশ তাকে আটক করে।আটককৃত শিক্ষক শিবালয় অক্সর্ফোড একাডেমীর ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষক ও পাশ্ববর্তী ঘিওর উপজেলার করোটিয়া  শাহাপাড়া এলাকার শ্যামল চন্দ্র শীলের ছেলে।  এ ঘটনায় থানায় মামলা  প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সবুজ বাংলাকে  বলেন,  গতকাল বুধবার দুপুরে টিফিনের সময় স্কুল ভবনের চার তলায় একা উঠার সময় সিঁড়িতে গোবিন্দ চন্দ্র শীল স্যার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ডাক দিয়ে হাত ধরে। হাত ঝাপটি দিয়ে ছুটে যাবার সময় পিছন থেকে জাপটে জড়িয়ে ধরে। এসময় শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর  জায়গায় হাত দেয়। সাথে কু প্রস্তাব দিতে থাকে। অনেক চেষ্টা করে ছাড়িয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় ঐ শিক্ষার্থী। পরে বিদ্যালয়ের বড় আপুদের সহোযোগিতায় হেড স্যারের কাছে বিচার দিলে স্যাররা উল্টো বাসায় এ ঘটনা না জানানোর অনুরোধ করে পরে ক্লাসে পাঠিয়ে দেয়। আবার কয়েকজন আমাকেস্যার কটু কথা বলে থাকে।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান,  আমার মেয়ের সাথে যে ব্যবহার শিক্ষক হয়ে করেছে তার কঠিন বিচার চাই। অন্যায়ে কে বাঁচানোর জন্য  অন্য শিক্ষকরা যা করেছে তারদের ও বিচার চাই। আমার মেয়েটা এখন আতঙ্ক ও হতাশার ভীতরে আছে।
এ বিষয়ে অক্সফোর্ড একাডেমির ভারপ্রাপ্ত  প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনার পর শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে বাঁচানোর কথা অস্বীকার করেন তিনি।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআরএম আল মামুন জানান, এ ঘটনার ভুক্তভোগীর বাবা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আমরা ওই শিক্ষককে আটক করেছি। মামলা পক্রিয়াধিন আছে। তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের গ্রেফতার করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

টাইমস ওয়ার্ল্ড সাবজেক্ট র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা ১ হাজারে চবির ৬ বিষয়

স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, শিক্ষক আটক

আপডেট সময় : ০৪:২৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
মানিকগঞ্জে শিবালয়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গোবিন্দ চন্দ্র শীল নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। গত কাল বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে শিবালয় থানা পুলিশ তাকে আটক করে।আটককৃত শিক্ষক শিবালয় অক্সর্ফোড একাডেমীর ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষক ও পাশ্ববর্তী ঘিওর উপজেলার করোটিয়া  শাহাপাড়া এলাকার শ্যামল চন্দ্র শীলের ছেলে।  এ ঘটনায় থানায় মামলা  প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সবুজ বাংলাকে  বলেন,  গতকাল বুধবার দুপুরে টিফিনের সময় স্কুল ভবনের চার তলায় একা উঠার সময় সিঁড়িতে গোবিন্দ চন্দ্র শীল স্যার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ডাক দিয়ে হাত ধরে। হাত ঝাপটি দিয়ে ছুটে যাবার সময় পিছন থেকে জাপটে জড়িয়ে ধরে। এসময় শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর  জায়গায় হাত দেয়। সাথে কু প্রস্তাব দিতে থাকে। অনেক চেষ্টা করে ছাড়িয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় ঐ শিক্ষার্থী। পরে বিদ্যালয়ের বড় আপুদের সহোযোগিতায় হেড স্যারের কাছে বিচার দিলে স্যাররা উল্টো বাসায় এ ঘটনা না জানানোর অনুরোধ করে পরে ক্লাসে পাঠিয়ে দেয়। আবার কয়েকজন আমাকেস্যার কটু কথা বলে থাকে।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান,  আমার মেয়ের সাথে যে ব্যবহার শিক্ষক হয়ে করেছে তার কঠিন বিচার চাই। অন্যায়ে কে বাঁচানোর জন্য  অন্য শিক্ষকরা যা করেছে তারদের ও বিচার চাই। আমার মেয়েটা এখন আতঙ্ক ও হতাশার ভীতরে আছে।
এ বিষয়ে অক্সফোর্ড একাডেমির ভারপ্রাপ্ত  প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনার পর শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে বাঁচানোর কথা অস্বীকার করেন তিনি।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআরএম আল মামুন জানান, এ ঘটনার ভুক্তভোগীর বাবা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আমরা ওই শিক্ষককে আটক করেছি। মামলা পক্রিয়াধিন আছে। তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের গ্রেফতার করা হবে।