০৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লায় বদলে মাটি পাঠালো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান, ফিরিয়ে দেয়া হলো চালান

Oplus_131072

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আমদানি করা কয়লার একটি চালানে বিপুল পরিমাণে মাটি পাওয়ার পর চালানটি ফিরিয়ে দিয়েছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (সিপিজিসিএল)। যেটি ৬৩ হাজার টন কয়লার চালান ছিলো। চালান প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তের পর কয়লাবাহী জাহাজতিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের তীরে মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ৬০০ একর জমিজুড়ে তৈরি এই আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। এরপর হয় ২০২৩ সালের আগস্টে উৎপাদনে আসে দ্বিতীয় ইউনিট।

সিপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডারের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা সংগ্রহের দায়িত্ব পাওয়া একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এই চালান পাঠায়। কিন্তু চালানটির কয়লায় বিপুল পরিমাণে মাটি ছিল। ফলে এই কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহারোপযোগী নয়।

মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হক বলেন, ‘আমরা চালানটি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি এবং শুক্রবার সরবরাহকারীকে অফিসিয়াল চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

সিপিএর পতাকাবাহী এমভি ওরিয়েন্ট অর্কিড জাহাজে করে ওই কয়লা পরিবহন করা হয়েছিল। জাহাজটি ১৭ মার্চ মাতারবাড়ী চ্যানেলে প্রবেশ করে। জাহাজটি পরিচালনা করে মেঘনা গ্রুপ অভ কোম্পানিজ।

এদিকে বন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালানে অতিরিক্ত মাটি থাকায় কয়লা খালাসের জন্য ব্যবহৃত কনভেয়র বেল্ট বারবার বিকল হয়ে যাচ্ছিল।

সিপিএর ডক মাস্টার ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ান নিশ্চিত করেছেন, শিপিং কোম্পানির নির্দেশনা অনুযায়ী জাহাজটিকে বহির্নোঙরে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লায় বদলে মাটি পাঠালো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান, ফিরিয়ে দেয়া হলো চালান

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আমদানি করা কয়লার একটি চালানে বিপুল পরিমাণে মাটি পাওয়ার পর চালানটি ফিরিয়ে দিয়েছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (সিপিজিসিএল)। যেটি ৬৩ হাজার টন কয়লার চালান ছিলো। চালান প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তের পর কয়লাবাহী জাহাজতিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের তীরে মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ৬০০ একর জমিজুড়ে তৈরি এই আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। এরপর হয় ২০২৩ সালের আগস্টে উৎপাদনে আসে দ্বিতীয় ইউনিট।

সিপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডারের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা সংগ্রহের দায়িত্ব পাওয়া একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এই চালান পাঠায়। কিন্তু চালানটির কয়লায় বিপুল পরিমাণে মাটি ছিল। ফলে এই কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহারোপযোগী নয়।

মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হক বলেন, ‘আমরা চালানটি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি এবং শুক্রবার সরবরাহকারীকে অফিসিয়াল চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

সিপিএর পতাকাবাহী এমভি ওরিয়েন্ট অর্কিড জাহাজে করে ওই কয়লা পরিবহন করা হয়েছিল। জাহাজটি ১৭ মার্চ মাতারবাড়ী চ্যানেলে প্রবেশ করে। জাহাজটি পরিচালনা করে মেঘনা গ্রুপ অভ কোম্পানিজ।

এদিকে বন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালানে অতিরিক্ত মাটি থাকায় কয়লা খালাসের জন্য ব্যবহৃত কনভেয়র বেল্ট বারবার বিকল হয়ে যাচ্ছিল।

সিপিএর ডক মাস্টার ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ান নিশ্চিত করেছেন, শিপিং কোম্পানির নির্দেশনা অনুযায়ী জাহাজটিকে বহির্নোঙরে পাঠানো হয়েছে।