যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে একক আধিপত্য বিস্তার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব। প্রভাব খাটিয়ে তার স্ত্রী আত্মীয় স্বজন ও অনুসারীদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন। তার এমন কর্মকান্ডে রীতিমতো হতাশ হয়েছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা। টি এস আইয়ুবের দখলের রাজনীতির কারণে উপজেলা বিএনপিতে অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। নিজ দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন না করলেও তিনি আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানকে নানাভাবে সুবিধা দিচ্ছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ তাকে আগামী নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার ঘোষণা দিয়ে ভাইরাল হয়েছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শ্রমিক লীগের এক কেন্দ্রীয় নেতার গাড়ি চড়ে এসেও সমালোচিত হয়েছিলেন। নিজের আখের গোছাতে যা ইচ্ছা তাই করছেন। যদিও সকল অভিযোগ তিনি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী টি এস আইয়ুবের সাথে নেই। তার একগুঁয়েমি কর্মকান্ডে তারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ ও হতাশ। ফলে গ্রুপের রাজনীতি শুরু হয়েছে। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাঘারপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুল হাই মনা, বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের সিদ্দিকী, বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মসিয়ুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন।
অন্যদিকে টি এস আইয়ুবের গ্রুপে রয়েছেন স্ত্রী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তানিয়া রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমানসহ পদে বসানো অনুসরিরা। পাল্লা ভারি করার জন্য তিনি আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নেতা জানান, সকল স্তরে গণতান্ত্রিক উপায়ে কমিটি গঠনের দাবি জানালেও তা উপেক্ষা করেছেন টিএস আইয়ুব। হাই কমান্ডকে ম্যানেজ ও পেশী শক্তি প্রয়োগ করে ইচ্ছামত উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করেছেন। আগ্রহীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউন্সিলের নামে নাটক সাজিয়ে বিনা প্রতিদন্দিতায় নিজের স্ত্রী তানিয়া রহমানকে সভাপতি ও নিকটতম শামসুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করেছেন। উপজেলা বিএনপির নেতৃত্ব ধরে রাখতে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ শামসুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক পদে আনতে দ্বিধা করেননি। তাদেরকে কমিটিতে নামমাত্র রেখে টিএস আইয়ুব নিজেই দল পরিচালনা করছেন। টি এস আইয়ুব দলকে পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন। বর্তমানে রায়পুর ইউনিয়নের রাজনীতি টি এস আইয়ুবের স্বজনদের দখলে। তার ভাগ্নে কুদ্দুস ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। আরেক ভাগ্নে বকুল হোসেন যুবদলের সভাপতি। এছাড়া আরও দুই ভাগ্নের একজন ছাত্রদলের সভাপতি আরেকজন কৃষকদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, রায়পুর ইউনিয়নের কয়ারখালি গ্রামের আব্দুল বারিক মোল্যার ছেলে টিএস আইয়ুব ও তার স্ত্রী তানিয়া রহমান ভুয়া এলসির মাধ্যমে ঢাকা ব্যাংকের প্রায় ২১ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ৫ আগস্টের আগে আটক হয়ে ১১ মাস জেলহাজতে ছিলেন। এর আগে দুর্নীতিসহ পাঁচটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হয়ে দীর্ঘদিন পালিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। ফলে দলের দুর্দিন ও অধিকাংশ আন্দোলন সংগ্রামে টিএস আইয়ুবের দেখা মেলেনি। তার স্ত্রী তানিয়া রহমান তেমন একটা রাজনৈতিক মাঠে ছিলেন না। গত ২৯ আগস্ট টিএস আইয়ুব জালিয়াতি মামলায় জামিন পান। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য নেতা-কর্মীদের চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর টিএস আইয়ুবের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। টিএস আইয়ুব ঢাকা থেকে বাঘারপাড়ায় সংবর্ধনা নিতে এসেছিলেন ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের মালিকানাধীন গাড়ি চড়ে। আবুল কালাম আজাদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের হত্যা মামলার একজন আসামি। তারপরও তিনি (আবুল কালাম আজাদ) ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে টিএস আইয়ুবের সাথে অংশ নিয়েছিলেন। এতে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন সুবিধাবাদী এই নেতা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের কয়েক ত্যাগী নেতা-কর্মী জানান, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর থেকে টিএস আইয়ুব বেপরোয়া হয়ে ওঠেন টেন্ডারবাজিতে। সরকারি পুকুর, হাটবাজার টেন্ডারে একক অধিপাত্য বিস্তার করে কামিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। এছাড়া সালিশ, জমি দখল, ইউপি চেয়ারম্যানদের পরিষদে বসতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অংশের টাকা। বাঘারপাড়ার খাজুরা ও ভাংগুড়া হাটের টেন্ডারে সহায়তার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। খাজুরা সরকারি শহীদ সিরাজ হোসেন কলেজের একটি পুকুরের টেন্ডারবাজি করে কামিয়ে নেন লক্ষাধিক টাকা। খাজুরা বাজারের দুইটি জমির দখলদারিত্বে ১০ লাখ টাকা আদায় করেন।
অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ৯ ইউনিয়ন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করেছেন টিএস আইয়ুব। হাই কমান্ডকে ভুল বুঝিয়ে তার মনোনীত কমিটির অনুমোদনও করানো হয়েছে। আবার উপজেলা কমিটি গঠনের আগে সভাপতি পদে আব্দুল হাই মনা ও সাধারণ সম্পাদক পদে মশিউর রহমান আগ্রহী থাকলেও পেশী শক্তি দিয়ে থামানো হয়। পরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তার স্ত্রী তানিয়া রহমানকে সভাপতি ও শামসুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন। শুধুমাত্র সাংগঠনিক পদে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও টিএস আইয়ুব প্রভাব খাটিয়ে স্ত্রী তানিয়া রহমানকে বাঘারপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় ও বাঘারপাড়া মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি করেন। কিন্তু পরে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাতিল করে দেন ।
এদিকে, বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করলেও টিএস আইয়ুব টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের কয়েকজন পলাতক নেতাকে এলাকায় ফ্রি স্টাইলে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা ও নৌকার প্রতীকের দহাকুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোতালেব তরফাদার, জামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম তিব্বত, বাসুয়াড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, দরাজহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ও ধলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম। আগামী সংসদ নির্বাচনে টি এস আইয়ুবকে বিজয়ী করার ঘোষণা দিয়ে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম তিব্বত। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। টিএস আইয়ুবের নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে দলের অনেক নেতা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। ফলে উপজেলা বিএনপি অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগছেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের সিদ্দিকী জানান, গত ১৭ বছরে নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার মত বিএনপির অনেক অত্যাচারিত নেতা রয়েছেন। দহাকুলা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মশিয়ার রহমান, জহুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা ফুল মিয়া, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হায়দার আলী, ফখরুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, সুলতান মুন্সী
অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। অথচ কমিটিতে কারও নাম স্থান পায়নি। একটি পক্ষ দলকে লিমিটেড কোম্পানি মনে করার কারণে নেতা কর্মীরা তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
আবু তাহের সিদ্দিকী আরও জানান, সকল প্রকার অন্যায়,অবিচার, বৈষম্য, অনিয়ম-দুর্নীতি, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার থাকবেন। কেউ দলের নাম ভাঙিয়ে রাজত্ব কায়েম করতে চাইলে কড়াকড়িভাবে জবাব দেয়া হবে।
বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, টিএস আইয়ুব পদ দখলের রাজনীতিতে ব্যস্ত। উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের কমিটিতে করেছেন স্বজনপ্রীতি। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীকে মূল্যায়ন না করে নিজের স্বার্থে আওয়ামী লীগকে পূর্নবাসন করতে রীতিমতো মরিয়া। তার কারণে উপজেলা বিএনপিতে কোন্দল চলছে। মশিউর রহমান আরও জানান, স্বৈরাচার সরকারের আমলেও রাজনৈতিক মাঠে থাকার কারণে ২৯ টি মামলার আসামি হয়েছেন। অথচ কমিটি গঠনের সময় তাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।
বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন জানান, টিএস আইয়ুবের আচরণ ফ্যাসিবাদের মত। তার পদ দখলের রাজনীতির কারণে উপজেলা বিএনপিতে লবিং-গ্রুপিং জোরদার হয়েছে। তিনি অর্থলোভী একজন মানুষ। ফ্যাসিবাদের দোসর ৯ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তিনি ধার-কর্জের নামেও বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর কাছ থেকে লাখ লাখ হাতিয়েছেন। টি এস আইয়ুব রাজনীতির নামে নোংরামি করে যাচ্ছেন।
বাঘারপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুল হাই মনা জানান, টিএস আইয়ুবের রাজনৈতিক কর্মকান্ড মানুষের মুখে মুখে। এটা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাইনা।
বাঘারপাড়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে টিএস আইয়ুবের বেপরোয়া অর্থবাণিজ্য, পদ দখলে মেতে ওঠে। ওয়ার্ড কমিটিতে যারা কখনো স্থান পায়নি তাদের অনেকে এখন উপজেলা কমিটির নেতা। সম্প্রতি টিএস আইয়ুবের নেতৃত্বে উপজেলা ওলামাদলের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তার নিকটাত্মীয় জহুরপুর ইউনিয়নের হিঙ্গেরপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানকে। জীবদ্দশায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় না হলেও তার ভাইজি জামাই কামরুজ্জামান পান্নাকে উপজেলা বিএনপির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা কমিটিতে স্থান পেয়েছে তার ভাই দাউদ হোসেন, ভগ্নিপতি আব্দুল জলিলের নাম। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ছেলের নামও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুল করেননি।
টিপু সুলতান আরও জানান, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল বাহিনীর অনেক সদস্য এখন টিএস আইয়ুবের লোক। সাবেক সংসদ সদস্য রণজিৎ কুমার রায়ের একান্ত কাছের লোক হিসেবে পরিচিত দিপঙ্করের বাসায় দাওয়াত খেয়ে এলাকায় থাকায় বৈধতা দিয়েছেন তিনি। তার প্রশ্রয় আওয়ামী লীগ ঘরনার অনেকে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছেন।
এসব বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে টিএস আইয়ুব জানান, তিনি পদদখল ও অর্থবাণিজ্যের রাজনীতি করেননা। তার স্বজনরা বিনপির রাজনীতি করলে প্রতিপক্ষর সমস্যা কোথায় এটা বোধগম্য নয়। তার স্বজনরা যোগ্য বলে কমিটিতে স্থান পেয়েছে। উপজেলার কিছু বহিস্কৃত নেতা ও সাবেক নেতা এক হয়ে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক প্রশ্নে তিনি জানান, সরকার চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা দায়িত্বে থাকবেন। না চাইলে থাকবেন না। তাদেরকে পরিষদ থেকে তাড়িয়ে দেয়ার মত অনৈতিক কাজ তার পক্ষে অসম্ভব। তাদের কাছ থেকে কোন অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করা হয়নি। তাদের সুবিধা দেয়ার প্রশ্নই আসেনা৷ কিছু দুষ্টু বলদ, সুযোগ সন্ধানী তার সুনাম নষ্ট করার জন্য টেন্ডার বাণিজ্য, পদদখলের মিথ্যা অপবাদ রটাচ্ছে। বরং অপপ্রচারকারী দুর্বৃত্ত এসব অপরাধের সাথে জড়িত। টি এস আইয়ুব আরও জানান, তিনি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন সাদা রঙের ছাদ খোলা গাড়ি চড়ে। সেটি ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের গাড়ি নয়। তিনি (আবুল কালাম আজাদ) ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন কিনা সেটা জানা নেই। বিগত দিনে যাদেরকে হাত ধরে রাজনীতিতে আনা হয়েছে তারাই এখন তার বিরুদ্ধে গালভরা মিথ্যাচার করছেন। অনেক আগে থেকে নির্বাচনের আগ মুহুর্তে চক্রটি তার ক্ষতি করার জন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে।




















