১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে সাধারন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন সাইদুর রহমান ওরফে বিপ্লব (৪৫)। কখনো নিজেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, কখনো খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক কিংবা কখনো জেলা প্রশাসক পরিচয়ে চাকরির আশ্বাস দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এই প্রতারক।

বুধবার (৭ মে) রাতে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের মহিষামুড়ী গ্রামে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক।

ওসি জানান, সাইদুর রহমানের প্রতারণার শুরু এক দশকেরও বেশি সময় আগে। ২০১৪ সালে একই ধরনের প্রতারণার ঘটনায় জনতার হাতে ধরা পড়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ হন তিনি। সে সময় দায়ের হওয়া মামলায় তার কারাদণ্ডও হয়। তবে কারামুক্তির পর পুরনো অভ্যাসে ফেরেন তিনি।

পুলিশ বলছে, সাইদুর একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। বেকার যুবকদের টার্গেট করে চাকরি নিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ‘নিয়োগ ফি’ ও ‘ফাইল প্রসেসিং খরচ’ হিসেবে আদায় করতেন মোটা অঙ্কের টাকা। প্রতারণার সময় সরবরাহ করতেন ভুয়া নিয়োগপত্র ও অফিসিয়াল পরিচয়পত্র।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক ভুয়া পরিচয়পত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও কয়েকটি সিমকার্ড।

ওসি সেলিম মালিক আরও জানান, সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত আটটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতিটি মামলার অভিযোগ প্রায় একই-সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ।

চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে সাধারন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন সাইদুর রহমান ওরফে বিপ্লব (৪৫)। কখনো নিজেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, কখনো খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক কিংবা কখনো জেলা প্রশাসক পরিচয়ে চাকরির আশ্বাস দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এই প্রতারক।

বুধবার (৭ মে) রাতে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের মহিষামুড়ী গ্রামে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক।

ওসি জানান, সাইদুর রহমানের প্রতারণার শুরু এক দশকেরও বেশি সময় আগে। ২০১৪ সালে একই ধরনের প্রতারণার ঘটনায় জনতার হাতে ধরা পড়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ হন তিনি। সে সময় দায়ের হওয়া মামলায় তার কারাদণ্ডও হয়। তবে কারামুক্তির পর পুরনো অভ্যাসে ফেরেন তিনি।

পুলিশ বলছে, সাইদুর একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। বেকার যুবকদের টার্গেট করে চাকরি নিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ‘নিয়োগ ফি’ ও ‘ফাইল প্রসেসিং খরচ’ হিসেবে আদায় করতেন মোটা অঙ্কের টাকা। প্রতারণার সময় সরবরাহ করতেন ভুয়া নিয়োগপত্র ও অফিসিয়াল পরিচয়পত্র।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক ভুয়া পরিচয়পত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও কয়েকটি সিমকার্ড।

ওসি সেলিম মালিক আরও জানান, সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত আটটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতিটি মামলার অভিযোগ প্রায় একই-সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ।

চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।