০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা, লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে দুদকের অভিযান

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চিত্র উন্মোচন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৮ মে) দুদকের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে দুদক টিম দেখতে পায়, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার সরবরাহে রয়েছে চরম অনিয়ম। সরকারি নির্ধারিত বাজেট অনুযায়ী প্রতি পিস মাছের ওজন হওয়া উচিত ৯০ গ্রাম, অথচ সরবরাহ করা হয় ৩০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত।
এছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসকদের স্বাক্ষর না থাকা, হাসপাতালে দালালদের সক্রিয় দৌরাত্ম্য, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং রোগী পরিবহনের ট্রলির জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো একাধিক অনিয়মের প্রমাণ মেলে। অভিযানের সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোকাদ্দেম এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সামিরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, এসব অনিয়ম ও অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য রোধ সম্ভব হবে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা, লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চিত্র উন্মোচন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৮ মে) দুদকের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে দুদক টিম দেখতে পায়, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার সরবরাহে রয়েছে চরম অনিয়ম। সরকারি নির্ধারিত বাজেট অনুযায়ী প্রতি পিস মাছের ওজন হওয়া উচিত ৯০ গ্রাম, অথচ সরবরাহ করা হয় ৩০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত।
এছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসকদের স্বাক্ষর না থাকা, হাসপাতালে দালালদের সক্রিয় দৌরাত্ম্য, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং রোগী পরিবহনের ট্রলির জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো একাধিক অনিয়মের প্রমাণ মেলে। অভিযানের সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোকাদ্দেম এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সামিরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, এসব অনিয়ম ও অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য রোধ সম্ভব হবে।
এমআর/সব