০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধ করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

জামালপুরে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধ করায় মার্জিয়া আরিফ মুনিয়া তামান্না (১১) নামে এক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার (১ জুন) সকালে শহরের কাচারীপাড়া বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তামান্না সদর উপজেলার বাঁশচড়া এলাকার আরিফ হোসেনের বড় মেয়ে এবং উইজডম স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা স্ব-পরিবারে দীর্ঘদিন যাবত কাচারীপাড়া বটতলা এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলায় বসবাস করে আসছে।

স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত মোবাইল চালানোর কারণে তার মা তাকে রাতে শাসন করে, সেই জিদেই অভিমান করে কোন একসময় তার নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবার ৯৯৯ এর কল দিলে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এবিষয়ে জামালপুর সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশেকিন জানান, মরদেহটির ছুরতহাল করা হয়েছে। লাশটি থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে যদি কোন অভিযোগ না থাকে এবং অভিযোগ নেই এই মর্মে লিখিত দিলে পুলিশ বিনা ময়নাতদন্তের মাধ্যমে পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধ করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০১:৫৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

জামালপুরে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধ করায় মার্জিয়া আরিফ মুনিয়া তামান্না (১১) নামে এক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার (১ জুন) সকালে শহরের কাচারীপাড়া বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তামান্না সদর উপজেলার বাঁশচড়া এলাকার আরিফ হোসেনের বড় মেয়ে এবং উইজডম স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা স্ব-পরিবারে দীর্ঘদিন যাবত কাচারীপাড়া বটতলা এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলায় বসবাস করে আসছে।

স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত মোবাইল চালানোর কারণে তার মা তাকে রাতে শাসন করে, সেই জিদেই অভিমান করে কোন একসময় তার নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবার ৯৯৯ এর কল দিলে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এবিষয়ে জামালপুর সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশেকিন জানান, মরদেহটির ছুরতহাল করা হয়েছে। লাশটি থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে যদি কোন অভিযোগ না থাকে এবং অভিযোগ নেই এই মর্মে লিখিত দিলে পুলিশ বিনা ময়নাতদন্তের মাধ্যমে পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হবে।