মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নানা অপকর্মের অভিযোগ সহ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী আজাদ
হোসেন বাবলু (৪০) প্রকাশ ফাইটার বাবলুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
সে স্থানীয় আরেক ভয়ংকর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও বাহিনীর প্রধান কদু আলমগীরের
সহযোগী হিসাবে সকলের পরিচিত। সোমবার গভীর রাতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার
চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন উত্তর জয়পুর ইউপির চৌপল্লী থেকে হানিফ মিয়াজীর হাট
সড়কের মিদ্দা বাড়ির সামনের রাস্তার উপরে এ ঘটনাটি ঘটে। লক্ষ্মীপুর সদর
পূর্বাঞ্চলের বর্তমান এক মুর্তিমান আতংকের নাম কদু আলমগীর।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার গভীর রাত ৩টার দিকে এলাকার লোকজন শোর চিৎকার
শুনতে পায়। পরে সকালে দেখে কে বা কাহারা বাবলুর মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে
হত্যা করে। এছাড়া গত ০২ মাস মাস আগে আজাদ হোসেন বাবলু প্রকাশ
ফাইটার বাবলু মাদক মামলায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে
কারাগারে যান । গত কিছুদিন আগে আগে সে কারাগার থেকে জামিনে বের
হয়। জামিনে এসে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও মাদক বিক্রির কাজে আবারো
জড়িত হয়ে পড়েন বাবলু। এরই জেরে প্রতিপক্ষ একজনকে গত ১লা জুন
পার্শ্ববর্তী দত্তপাড়ার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মৃত শামীম চেয়ারম্যানের সহযোগী
সুমন প্রকাশ বেলজিয়াম সুমনকে মাদকসহ ফাইটার বাবলু ও তার সহযোগীরা
দত্তপাড়া তদন্ত কেন্দ্রে পুলিশের নিকট ধরিয়ে দেয়। এর আগে অর্থাৎ গত ১১ এপ্রিল
তার প্রতিপক্ষ আরেক মাদক ব্যাবসায়ী সন্ত্রাসী রুবেলকে গুলি করে ফাইটার বাবলুর
লোকজন। এতে দুই পক্ষের মধ্যকার দ্বন্ধ চরমে উঠায় এই হত্যা তারই সূত্রপাত বলে
এলাকাবাসীর ধারনা।
ফাইটার বাবলু ৯নং উত্তর জয়পুর ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভুঁইয়া বাড়ির মৃত
মোস্তফা ভূঁইয়ার ছেলে। স্থানীয় ভাবে জানাযায় আজাদ হোসেন বাবলু @
ফাইটার বাবলু এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী কদু আলমগীরের সহযোগী ও মাদক বিক্রেতা।
এলাকায় মারামারি, লুটপাটসহ অনেক অপকর্ম সাথে সে জড়িত ছিলো। তাহার
বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে । এই দিকে তার মৃত্যুর খবর
চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পরেই এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি দেখা যায়। এলাকাবাসী
জানায়, তার অত্যাচারে এলাকাবাসী ছিলো অতিষ্ঠ ।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বলেন,
‘ফাইটার বাবলুর হত্যা কান্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পৌছে লাশ উদ্ধার
সহ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তার মতে, গত
কয়েকমাস আগে তাকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়। জামিনে এসেই সে
মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এই হত্যাকান্ডের বিষয়ে
অধিকতর তদন্ত চলছে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
























