০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ মুজিব রক্ষী বাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা  করেছিল: নাজিম উদ্দীন আলম 

বিএনপির দলীয় ভোলা ০৪ আসনের  সাবেক সংসদ সদস্য ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম বলেন, শেখ মুজিব যার সাতই মার্চের ভাষণে মানুষ উজ্জীবিত হয়েছিল,  এমন একজন অবিসংবাদিত নেতা তার জানাজায় কেন মাত্র তের জন মানুষ উপস্থিত হয়েছিল। ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল হয়েছিল।
এ মুজিব রক্ষী বাহিনী দিয়ে প্রাইভেট বাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিলেন। গণতন্ত্রকে নস্যাত করেছিলেন, সেনাবাহিনীকে আনসার বাহিনীতে পরিণত করেছিল। তার সন্তানদের বিয়ের জাম জমক পূর্ণ অনুষ্ঠান করেছিল।  ভাগিনা-ভাতিজা দিয়ে  মানুষের ওপর জুলুম নির্যাতন করেছিলেন। সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভ ছিল।  পক্ষান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।  তার জানাজায় ৩০ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ জানাজা হয়েছিল। কেন? দুইজনই সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিলেন। জাতির ক্রান্তিকালে, শেখ মুজিব যখন গ্রেফতার হলেন,আওয়ামী লীগের নেতারা যখন ভারতে চলে গিয়েছিল,  কিংকর্তব্যবিমূঢ় জাতি! এ জাতিকে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। কালুরঘাটবেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তার ঘোষণার পর ছাত্র জনতা যাপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তারপর সিপাহি জনতার বিপ্লব হয়েছিল। এ বিপ্লবের মাঝে তিনি জাতির দায়িত্ব নিলেন। তার ভাই ব্রাদার, আত্মীয় স্বজনকে আমরা চিনতাম না। আত্মীয় স্বজন কারো কোন বাহাদুরি ছিল না। জিয়াউর রহমান তার কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিলনা। তিনি গার্মেন্টস শিল্প করেছিল, কৃষি বিপ্লব করেছিলেন, তার সততা ছিল। এজন্য  তার জানাজায় এত মানুষ হয়েছিল।
৯ জুন সোমবার বিকেলে বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের গভর্নিং নব নির্বাচিত সভাপতি মাহাদী হাসান জুয়েলকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আপনাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।  আমরা আপনাদের পাশে থাকব। পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে নিবেন। আমরা কোয়ান্টিটি চাইনা, আমরা চাই কোয়ালিটি।  শেখ হাসিনা কোয়ান্টিটি চেয়েছিলেন,  চেয়েছিলেন ৯০-৯৫ ভাগ পাশ করুক। তারপর রিকশা চালাবে। চাকরি পাবেনা। এমন শিক্ষা প্রয়োজন নেই।
শশিভূষণ থানা বিএনপির  সভাপতি এবি ছিদ্দিক মিয়ার সভাপতিত্বে  বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ আনম আমিরুল ইসলাম মিন্টিজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সাবেক সম্পাদক শামসুদ্দিন কাউস, শ্রমিক দলের সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ, যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু, সেচ্চাসেবক দলের সভাপতি  মীর শাহাদাত হোসেন ছায়েদ,সাধারণ সম্পাদক হাবিব নেগাবান  শশিভূষণ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  মোস্তফা কামাল দদপ্রমূখ।
সভার শুরুতে প্রধান অতিথি ও কলেজের নব নির্বাচিত সভাপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হয় কলেজ শিক্ষক বিএনপি ছাত্রদল ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
ক্যাপশন: কলেজের গভর্নিং বডি সভাপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ নাজিম উদ্দীন আলম ।
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ মুজিব রক্ষী বাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা  করেছিল: নাজিম উদ্দীন আলম 

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
বিএনপির দলীয় ভোলা ০৪ আসনের  সাবেক সংসদ সদস্য ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম বলেন, শেখ মুজিব যার সাতই মার্চের ভাষণে মানুষ উজ্জীবিত হয়েছিল,  এমন একজন অবিসংবাদিত নেতা তার জানাজায় কেন মাত্র তের জন মানুষ উপস্থিত হয়েছিল। ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল হয়েছিল।
এ মুজিব রক্ষী বাহিনী দিয়ে প্রাইভেট বাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিলেন। গণতন্ত্রকে নস্যাত করেছিলেন, সেনাবাহিনীকে আনসার বাহিনীতে পরিণত করেছিল। তার সন্তানদের বিয়ের জাম জমক পূর্ণ অনুষ্ঠান করেছিল।  ভাগিনা-ভাতিজা দিয়ে  মানুষের ওপর জুলুম নির্যাতন করেছিলেন। সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভ ছিল।  পক্ষান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।  তার জানাজায় ৩০ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ জানাজা হয়েছিল। কেন? দুইজনই সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিলেন। জাতির ক্রান্তিকালে, শেখ মুজিব যখন গ্রেফতার হলেন,আওয়ামী লীগের নেতারা যখন ভারতে চলে গিয়েছিল,  কিংকর্তব্যবিমূঢ় জাতি! এ জাতিকে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। কালুরঘাটবেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তার ঘোষণার পর ছাত্র জনতা যাপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তারপর সিপাহি জনতার বিপ্লব হয়েছিল। এ বিপ্লবের মাঝে তিনি জাতির দায়িত্ব নিলেন। তার ভাই ব্রাদার, আত্মীয় স্বজনকে আমরা চিনতাম না। আত্মীয় স্বজন কারো কোন বাহাদুরি ছিল না। জিয়াউর রহমান তার কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিলনা। তিনি গার্মেন্টস শিল্প করেছিল, কৃষি বিপ্লব করেছিলেন, তার সততা ছিল। এজন্য  তার জানাজায় এত মানুষ হয়েছিল।
৯ জুন সোমবার বিকেলে বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের গভর্নিং নব নির্বাচিত সভাপতি মাহাদী হাসান জুয়েলকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আপনাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।  আমরা আপনাদের পাশে থাকব। পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে নিবেন। আমরা কোয়ান্টিটি চাইনা, আমরা চাই কোয়ালিটি।  শেখ হাসিনা কোয়ান্টিটি চেয়েছিলেন,  চেয়েছিলেন ৯০-৯৫ ভাগ পাশ করুক। তারপর রিকশা চালাবে। চাকরি পাবেনা। এমন শিক্ষা প্রয়োজন নেই।
শশিভূষণ থানা বিএনপির  সভাপতি এবি ছিদ্দিক মিয়ার সভাপতিত্বে  বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ আনম আমিরুল ইসলাম মিন্টিজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সাবেক সম্পাদক শামসুদ্দিন কাউস, শ্রমিক দলের সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ, যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু, সেচ্চাসেবক দলের সভাপতি  মীর শাহাদাত হোসেন ছায়েদ,সাধারণ সম্পাদক হাবিব নেগাবান  শশিভূষণ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  মোস্তফা কামাল দদপ্রমূখ।
সভার শুরুতে প্রধান অতিথি ও কলেজের নব নির্বাচিত সভাপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হয় কলেজ শিক্ষক বিএনপি ছাত্রদল ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
ক্যাপশন: কলেজের গভর্নিং বডি সভাপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ নাজিম উদ্দীন আলম ।