০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নেই প্রাণী সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা

চট্টগ্রামে আবর্জনার ভাগাড়ে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে শত শত ঘোড়া

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও আবর্জনার ভাগাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কয়েকশ ঘোড়া। বেআইনিভাবে ঘোড়ার বাণিজ্যিক ব্যবহার হলেও তাদের খাবার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে একেবারেই উদাসীন মালিকেরা। নেই প্রাণী সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা। অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ প্রাণী সুরক্ষা আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাণী রক্ষাকারী সংগঠনের সদস্যরা। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ারলেস এলাকায় ঘোড়ার প্রতি অবহেলার দৃশ্য চোখে পড়ে। খাবারের আশায় ঘুরছে ১০থেকে ১২টি ঘোড়া। ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় কঙ্কালসার এসব প্রাণী। স্থানীয়রা বলছেন, ঘোড়া দিয়েই চলে সমুদ্রসৈকতে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার কাজ। ব্যবহার হয় বিয়েতে বর-কনে টানানোর কাজেও। এসব ঘোড়া দেখে বেওয়ারিশ মনে হলেও এদের মালিক আছে। তবে প্রাণীগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাবারের বিষয়ে তেমন দায়িত্বশীল মনে হয় না তাদের। স্থানীয় একজন বলেন, অযত্ন অবহেলায় এরা খাচ্ছে। এগুলোর ওপর নিষ্ঠুরতাও করা হচ্ছে। ভালোভাবে যদি পালা যায়, তাহলে সেটা ভালো। যতোক্ষণ এসব ঘোড়া কর্মক্ষম থাকে ততক্ষণ তাদের দিয়ে করানো হয় কঠিন সব কাজ। এমন আচরণ প্রাণী কল্যাণ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানান পশুপ্রেমীরা। তবে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানালেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর বলেন, কেউ যদি প্রাণীর ওপর নিষ্ঠুরতা করে, খাবার না দেয়। তাহলে কিন্তু আইনে এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। চট্টগ্রাম নগরীতে এমন অসহায় ঘোড়ার সংখ্যা কয়েক শ বলে জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরা।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

নেই প্রাণী সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা

চট্টগ্রামে আবর্জনার ভাগাড়ে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে শত শত ঘোড়া

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও আবর্জনার ভাগাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কয়েকশ ঘোড়া। বেআইনিভাবে ঘোড়ার বাণিজ্যিক ব্যবহার হলেও তাদের খাবার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে একেবারেই উদাসীন মালিকেরা। নেই প্রাণী সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা। অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ প্রাণী সুরক্ষা আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাণী রক্ষাকারী সংগঠনের সদস্যরা। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ারলেস এলাকায় ঘোড়ার প্রতি অবহেলার দৃশ্য চোখে পড়ে। খাবারের আশায় ঘুরছে ১০থেকে ১২টি ঘোড়া। ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় কঙ্কালসার এসব প্রাণী। স্থানীয়রা বলছেন, ঘোড়া দিয়েই চলে সমুদ্রসৈকতে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার কাজ। ব্যবহার হয় বিয়েতে বর-কনে টানানোর কাজেও। এসব ঘোড়া দেখে বেওয়ারিশ মনে হলেও এদের মালিক আছে। তবে প্রাণীগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাবারের বিষয়ে তেমন দায়িত্বশীল মনে হয় না তাদের। স্থানীয় একজন বলেন, অযত্ন অবহেলায় এরা খাচ্ছে। এগুলোর ওপর নিষ্ঠুরতাও করা হচ্ছে। ভালোভাবে যদি পালা যায়, তাহলে সেটা ভালো। যতোক্ষণ এসব ঘোড়া কর্মক্ষম থাকে ততক্ষণ তাদের দিয়ে করানো হয় কঠিন সব কাজ। এমন আচরণ প্রাণী কল্যাণ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানান পশুপ্রেমীরা। তবে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানালেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর বলেন, কেউ যদি প্রাণীর ওপর নিষ্ঠুরতা করে, খাবার না দেয়। তাহলে কিন্তু আইনে এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। চট্টগ্রাম নগরীতে এমন অসহায় ঘোড়ার সংখ্যা কয়েক শ বলে জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরা।
এমআর/সব