দেশে উন্নয়নের নামে মহালুটের আরেক সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তিস্তা সেতু।
রংপুর-কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট তিন জেলার মানুষের স্বপ্নের তিস্তা সড়ক সেতু ২০১২ সালের ২০
সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়। সাধারণ মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত
সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণের তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। সেতু কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে
দেখভাল না করায় সেতুর মাঝখানে মরণ ফাঁদ সৃষ্টি হয়েছে। তিস্তা সড়ক সেতুতে দেখা যায়, বেশ
কয়েক জায়গায় ডেকের কনস্ট্রাকশন জয়েন্টের নাট-বোল্টু খুলে লোহার পাত খুলে গিয়ে মরণ ফাঁদে
পরিণত হচ্ছে। এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন রংপুর-কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট জেলার যাত্রীবাহী বাস,
মালবোঝাই ট্রাকসহ শত শত পরিবহন চলাচল করছে। কর্তৃপক্ষ স্বপ্নের তিস্তা সড়ক সেতুর সঠিক
রক্ষণাবেক্ষণ না করায় মরণ ফাঁদ তৈরী হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ধুলাবালি পরিষ্কার না করায় বৃষ্টি হলেই
সেতুর উপর পানি জমে থাকে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সেতু নির্মাণ প্রকল্প-৩ এর
অধীনে রংপুর-কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট রোডে তিস্তা নদীর ওপর সেতু সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়
২০০৬ সালে এবং সমাপ্ত হয় ২০১২ সালের জুন মাসে। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সেতুটি
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৫০ মিটার এবং প্রস্থ ১২.১ মিটার। সেতুর
¯প্যান সংখ্যা ১৫টি এবং পিলার সংখ্যা ১৬টি। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ১২২.০৯ কোটি টাকা।
নদী শাসন ৭৬০ মিটার। অ্যাপ্রোচ রোড ২.২৯ কিলোমিটার। স্বপ্নের সেই সেতুতে মরণ ফাঁদ
সৃষ্টি হলেও কর্তৃপক্ষের নজর নেই। কাউনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, তিস্তা
সেতু সড়ক লালমনিরহাট সেতু কর্তৃপক্ষ দেখভাল করেন। এটি সংস্কার করা তাদের দায়িত্বে পড়ে।
তিস্তা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক শাহ রাজু বলেন, সেতুটি নির্মাণের পর তিন জেলার মানুষের
যোগাযোগের অভাবনীয় উন্নতি ঘটে। সেই স্বপ্নের সেতুতে মরণ ফাঁদ তৈরী হওয়ায় আতঙ্ক
বিরাজ করছে গাড়ির চালকসহ যাত্রীসাধারণের মাঝে। সচেতন মহলের দাবি স্বপ্নের তিস্তা সেতু
দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
শিরোনাম
তিস্তা সেতুর জয়েন্টের নাট খুলে মরণ ফাঁদে পরিণত
-
রংপুর ব্যুরো - আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
- ।
- 82
জনপ্রিয় সংবাদ
























