১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরে লঘুচাপ, ভারী বর্ষণ ও পাহাড় ধসের শঙ্কা

দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপটির
বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয়
এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার দুপুর ২টা
পর্যন্ত চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রংপুর ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কোথাও
কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে ঝড় সতর্কীকরণ
কেন্দ্র।আবহাওয়া অফিস জানায়, অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি,
বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাসমূহের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা
রয়েছে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়। সেই সাথে ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম ও
ঢাকা মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা
হয়।এদিকে আজ নগরে দিনভর কয়েক দফা থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। তীব্র গরমের পর এ বৃষ্টি
স্বস্তি এনেছে জীবনে। গতকাল বিকাল ৩টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ দশমিক ২
মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে নগরের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এদিকে গতকাল সন্ধ্যা
৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ ১১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলায়।
একই সময়ে নগরের আমবাগান আবহাওয়া অফিস ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে।পতেঙ্গা
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সেই সাথে
অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ও কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি
অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী অথবা অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের
পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে ও নগরে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার
সৃষ্টি হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে লঘুচাপ, ভারী বর্ষণ ও পাহাড় ধসের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপটির
বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয়
এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার দুপুর ২টা
পর্যন্ত চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রংপুর ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কোথাও
কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে ঝড় সতর্কীকরণ
কেন্দ্র।আবহাওয়া অফিস জানায়, অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি,
বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাসমূহের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা
রয়েছে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়। সেই সাথে ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম ও
ঢাকা মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা
হয়।এদিকে আজ নগরে দিনভর কয়েক দফা থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। তীব্র গরমের পর এ বৃষ্টি
স্বস্তি এনেছে জীবনে। গতকাল বিকাল ৩টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ দশমিক ২
মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে নগরের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এদিকে গতকাল সন্ধ্যা
৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ ১১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলায়।
একই সময়ে নগরের আমবাগান আবহাওয়া অফিস ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে।পতেঙ্গা
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সেই সাথে
অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ও কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি
অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী অথবা অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের
পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে ও নগরে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার
সৃষ্টি হতে পারে।