১২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ, বাবা গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের দুর্লভকুটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা মাদ্রাসায় পড়ুয়া ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা রাজারহাট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, পাশ্ববর্তী সুখদেব মৌজার রফিকুল ইসলামের (বাঘা) পুত্র রিপন মিয়ার (১৯) এর সাথে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বিষয়ে জানাজানি হলে ছাত্রীর পরিবার থেকে ছেলের পরিবারে জানানোসহ ছেলেকে শাসন করা হয়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন মিয়া মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাস দিতে থাকে এবং ছাত্রীকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখাইয়া আসছিল এবং প্রায় সময় উত্তক্তা করত।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মাদ্রাসায় যাবার জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলে আর বাড়িতে ফিরেনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী। এ ঘটনায় রবিবার ২২ জুন ছাত্রীকে অপহরণ করার দায়ে রফিকুল ইসলাম (বাঘা) নামের এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে রাজারহাট থানার পুলিশ। অপহৃতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা গেছে উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের দুর্লভকুটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। গত ১৭ জুন আনুমানিক সকাল ৯টার সময় মাদ্রাসা যাবার পথে রতিগ্রাম বাজারের নিকটবর্তী গ্রামীণ ফোন টাওয়ারের কাছ থেকে উক্ত প্রেমিক রিপন মিয়া ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। দিন শেষে বেলা গড়িয়ে গেলেও মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবার বিভিন্ন যায়গায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তাদের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তুলে নিয়ে গেছে রিপন মিয়া। পরে রিপন মিয়ার বাড়িতে দফায় দফায় মেয়ের খোঁজ জানতে চাইলে তারা অস্বীকার করলে মেয়ের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুন রাজারহাট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে প্রেমিক রিপন মিয়ার বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম (বাঘা) কে ২২ জুন রবিবার তার বাড়িতে রাজারহাট থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করেন।
ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় ছেলের বাকাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তছলিম উদ্দিন বলেন, “মেয়ের পরিবার থেকে একটি মামলা করা হয়। এতে ছেলেসহ ছেলের বাবা ও মাকে আসামি করলে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামকে আটক করি। ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজারহাটে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ, বাবা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের দুর্লভকুটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা মাদ্রাসায় পড়ুয়া ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা রাজারহাট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, পাশ্ববর্তী সুখদেব মৌজার রফিকুল ইসলামের (বাঘা) পুত্র রিপন মিয়ার (১৯) এর সাথে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বিষয়ে জানাজানি হলে ছাত্রীর পরিবার থেকে ছেলের পরিবারে জানানোসহ ছেলেকে শাসন করা হয়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন মিয়া মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাস দিতে থাকে এবং ছাত্রীকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখাইয়া আসছিল এবং প্রায় সময় উত্তক্তা করত।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মাদ্রাসায় যাবার জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলে আর বাড়িতে ফিরেনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী। এ ঘটনায় রবিবার ২২ জুন ছাত্রীকে অপহরণ করার দায়ে রফিকুল ইসলাম (বাঘা) নামের এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে রাজারহাট থানার পুলিশ। অপহৃতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা গেছে উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের দুর্লভকুটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। গত ১৭ জুন আনুমানিক সকাল ৯টার সময় মাদ্রাসা যাবার পথে রতিগ্রাম বাজারের নিকটবর্তী গ্রামীণ ফোন টাওয়ারের কাছ থেকে উক্ত প্রেমিক রিপন মিয়া ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। দিন শেষে বেলা গড়িয়ে গেলেও মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবার বিভিন্ন যায়গায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তাদের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তুলে নিয়ে গেছে রিপন মিয়া। পরে রিপন মিয়ার বাড়িতে দফায় দফায় মেয়ের খোঁজ জানতে চাইলে তারা অস্বীকার করলে মেয়ের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুন রাজারহাট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে প্রেমিক রিপন মিয়ার বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম (বাঘা) কে ২২ জুন রবিবার তার বাড়িতে রাজারহাট থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করেন।
ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় ছেলের বাকাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তছলিম উদ্দিন বলেন, “মেয়ের পরিবার থেকে একটি মামলা করা হয়। এতে ছেলেসহ ছেলের বাবা ও মাকে আসামি করলে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামকে আটক করি। ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমআর/সব