০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ, জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি

চলতি বছর ফেনী জেলায় কোনো ইজারাকৃত বালুমহাল নেই। তাই জেলার নদী, খাল, জলাশয় বা অন্য কোনো স্থান থেকে বালু উত্তোলনকে সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনুমতি ছাড়া বালু কিংবা মাটি উত্তোলন করলে অথবা এর চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে—যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার বা অন্যান্য কাজের জন্য—বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী সীমিত সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে বালু ও মাটি উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে অনুমতি ছাড়া কেউ যদি নদী, খাল বা জলাশয় থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করে অথবা উত্তোলনের চেষ্টা করে, তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক নাগরিকদের আহ্বান জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রয়োজন হলে অনুমোদিতভাবে বালু উত্তোলন করা হবে। কিন্তু কেউ যেন এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে বালু না তোলে, সে জন্যই এই গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।’
সম্প্রতি সোনাগাজীর নবাবপুরে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জেলা প্রশাসন টিআইসি কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বালু উত্তোলন প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এসএস/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মা নিজেই নদীতে ফেলার ঘটনা স্বীকার, শিশু জীবিত উদ্ধার

ফেনীতে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ, জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি

আপডেট সময় : ০৫:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চলতি বছর ফেনী জেলায় কোনো ইজারাকৃত বালুমহাল নেই। তাই জেলার নদী, খাল, জলাশয় বা অন্য কোনো স্থান থেকে বালু উত্তোলনকে সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনুমতি ছাড়া বালু কিংবা মাটি উত্তোলন করলে অথবা এর চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে—যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার বা অন্যান্য কাজের জন্য—বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী সীমিত সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে বালু ও মাটি উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে অনুমতি ছাড়া কেউ যদি নদী, খাল বা জলাশয় থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করে অথবা উত্তোলনের চেষ্টা করে, তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক নাগরিকদের আহ্বান জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রয়োজন হলে অনুমোদিতভাবে বালু উত্তোলন করা হবে। কিন্তু কেউ যেন এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে বালু না তোলে, সে জন্যই এই গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।’
সম্প্রতি সোনাগাজীর নবাবপুরে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জেলা প্রশাসন টিআইসি কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বালু উত্তোলন প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এসএস/সবা