০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটের মা ও শিশু কেন্দ্রে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

লালমনিরহাটের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে (এমসিএইচ–এফপি) সরকারি অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় তৎকালীন মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. নিশাত উন নাহার ও অফিস সহকারী মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহজালাল। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন আকারে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা–এ পাঠিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরাদ্দের টাকায় কেনা কোনো মালামাল বা যন্ত্রপাতির অস্তিত্ব মেলেনি। ঔষধ, যন্ত্রপাতি, অ্যাম্বুলেন্স, কম্পিউটার সামগ্রী ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা খাতে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ের দেখানো হলেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উপ-পরিচালকের প্রতিবেদনে বলা হয়, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যবহৃত কম্পিউটারটি আসলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের। অথচ উভয় প্রতিষ্ঠানই একই কম্পিউটারের বিপরীতে কয়েক বছর ধরে আলাদা বিল উত্তোলন করছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, গত চার বছর ধরেই কোটি টাকার অনিয়ম চলছে।

অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমাকে বিল তৈরি করতে বলা হয়েছিল, করেছি। ঠিক কি ভুল, সেটা আমার বিষয় নয়।”

ডা. নিশাত উন নাহার বলেন, “অডিট আপত্তির বিষয়টি আমি দেখবো। কয়েক লাখ টাকায় কী হবে!”

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শুধু ২০২৩–২৪ নয়, গত কয়েক বছরের সব আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমবার সমস্যার প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

লালমনিরহাটের মা ও শিশু কেন্দ্রে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

লালমনিরহাটের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে (এমসিএইচ–এফপি) সরকারি অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় তৎকালীন মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. নিশাত উন নাহার ও অফিস সহকারী মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহজালাল। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন আকারে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা–এ পাঠিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরাদ্দের টাকায় কেনা কোনো মালামাল বা যন্ত্রপাতির অস্তিত্ব মেলেনি। ঔষধ, যন্ত্রপাতি, অ্যাম্বুলেন্স, কম্পিউটার সামগ্রী ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা খাতে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ের দেখানো হলেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উপ-পরিচালকের প্রতিবেদনে বলা হয়, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যবহৃত কম্পিউটারটি আসলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের। অথচ উভয় প্রতিষ্ঠানই একই কম্পিউটারের বিপরীতে কয়েক বছর ধরে আলাদা বিল উত্তোলন করছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, গত চার বছর ধরেই কোটি টাকার অনিয়ম চলছে।

অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমাকে বিল তৈরি করতে বলা হয়েছিল, করেছি। ঠিক কি ভুল, সেটা আমার বিষয় নয়।”

ডা. নিশাত উন নাহার বলেন, “অডিট আপত্তির বিষয়টি আমি দেখবো। কয়েক লাখ টাকায় কী হবে!”

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শুধু ২০২৩–২৪ নয়, গত কয়েক বছরের সব আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এমআর/সবা