যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান বলেন, হিংসা-প্রতিশোধের পরিণতি কী হতে পারে, সেটা আমরা দেখেছি চব্বিশের ৫ আগস্ট। মতপার্থক্য যেন মতবিভেদে রূপ না নেয়, বিভেদের কারণ না হয়। সবাই মিলে কাজ করতে হবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন মতপার্থক্য আছে।
এসব মতপার্থক্য নিয়ে যেন আলোচনা হয়— সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আহ্বান জানাব। আমাদের সমস্যা ছিল, সমস্যা আছে। আমরা অবশ্যই ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, দেশে ফিরে আসার পর সাভারসহ কয়েকটি জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।
আমার কাছে মনে হয়েছে, নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স চাইছে। নতুন প্রজন্মের একটি আশা দেখতে চাইছে। ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এই সবগুলোকে সামনে রেখে আমরা যদি দেশের জন্য কাজ করি, দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করি, তাহলে নিশ্চয়ই সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।
তিনি বলেন, একজন সাংবাদিক নারীর নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলেছেন। আমি মনে করি নারী-পুরুষ উভয়েরই নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
৫ আগস্টের আগের অবস্থায় বাংলাদেশের ফিরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক মতপার্থক্য আছে। মতপার্থক্য থাকবে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সবাইকে বলি— আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা চালু রাখতে হবে। জবাবদিহিতার জায়গা থাকতে হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের কাছে যাব। আপনাদের কাছ থেকে আলোচনা-সমালোচনা পাব, যাতে দেশের মানুষের সমস্যা সমাধানের কাজে লাগানো যায়, যোগ করেন তিনি।
মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সম্পাদক ইনাম আহমদ, নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, দৈনিক খবরের কাগজ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার ও বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মেজর (অব.) হাফিজ আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/সবা
























