কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে ঘুস দাবির অভিযোগ: ২ এডিসি সহ ৪ জানের নামে এনসিপি নেতার মামলা » দৈনিক সবুজ বাংলা
০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে ঘুস দাবির অভিযোগ: ২ এডিসি সহ ৪ জানের নামে এনসিপি নেতার মামলা

কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে ঘুস দাবির অভিযোগ তুলে ২ এডিসি সহ ৪ জানের নামে মামলা দায়ের করেছেন এনসিপি নেতা।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের
ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ঘুষ দাবির অভিযোগে দুর্নীতি মামলায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব ও সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজিম উদ্দিন আহমদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ শাখার নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অপর দুই অভিযুক্ত হলেন-ভূমি অধিগ্রহণ শাখার অফিস সহকারী অনিক দে ও নিন্মমান সহকারী মোহাম্মদ এমরান।
২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার, দুপুরে কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে ভুক্তভোগী জেলা এনসিপির আহবায়ক প্রফেসর আখতার আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটির বিচারক মো. আবদুর রহিম এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার বাদী প্রফেসর আখতার আলম গত ২০১৯ সালে মহেশখালীর ছৈয়দ নুরকে ১৫ লাখ টাকা ধার দেন। দেনাদার ছৈয়দ নুর টাকা প্রদানে গড়িমসি করলে তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলার সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিবাদীকে টাকা ফেরত দেয়ার আদেশ প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে টাকা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বিবাদী ছৈয়দ নুরের অনুকূলে বরাদ্দ টাকা থেকে ফেরত দিতে আদালত আদেশ দেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে সমস্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে পাওনা টাকা আদালতের আদেশের অনুবলে ফেরত দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু তৎসময়ে ভূমি অধিগ্রহণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজিম উদ্দিন আহমদ সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে টাকা ফেরত না দিয়ে নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে আটকে রাখেন। এর প্রেক্ষিত গত ২০২৪ সালে আবারও আদালতের দ্বারস্থ হলে পুনরায় টাকা ফেরত দিতে জেলা প্রশাসনকে আদেশ দেন। তারপরও নাজিম উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব যোগসাজশ করে প্রাপ্য টাকা ফেরত ১০ শতাংশ হারে সাড়ে ৪ লাখ ঘুষ দাবি করেন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারিক হাকিম মো. আবদুর রহিমের আদালতের বাদী আবারও আবেদন করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ শাখার নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে আদালতের আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী প্রফেসর আখতার আলম জানান, তিনি আশা করছেন- আদালতের ন্যায়বিচার পাবেন।
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকে আরেকটি ৩৬ জুলাইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে: আব্দুল্লাহ আল জাবের

কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে ঘুস দাবির অভিযোগ: ২ এডিসি সহ ৪ জানের নামে এনসিপি নেতার মামলা

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে ঘুস দাবির অভিযোগ তুলে ২ এডিসি সহ ৪ জানের নামে মামলা দায়ের করেছেন এনসিপি নেতা।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের
ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ঘুষ দাবির অভিযোগে দুর্নীতি মামলায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব ও সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজিম উদ্দিন আহমদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ শাখার নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অপর দুই অভিযুক্ত হলেন-ভূমি অধিগ্রহণ শাখার অফিস সহকারী অনিক দে ও নিন্মমান সহকারী মোহাম্মদ এমরান।
২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার, দুপুরে কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে ভুক্তভোগী জেলা এনসিপির আহবায়ক প্রফেসর আখতার আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটির বিচারক মো. আবদুর রহিম এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার বাদী প্রফেসর আখতার আলম গত ২০১৯ সালে মহেশখালীর ছৈয়দ নুরকে ১৫ লাখ টাকা ধার দেন। দেনাদার ছৈয়দ নুর টাকা প্রদানে গড়িমসি করলে তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলার সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিবাদীকে টাকা ফেরত দেয়ার আদেশ প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে টাকা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বিবাদী ছৈয়দ নুরের অনুকূলে বরাদ্দ টাকা থেকে ফেরত দিতে আদালত আদেশ দেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে সমস্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে পাওনা টাকা আদালতের আদেশের অনুবলে ফেরত দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু তৎসময়ে ভূমি অধিগ্রহণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজিম উদ্দিন আহমদ সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে টাকা ফেরত না দিয়ে নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে আটকে রাখেন। এর প্রেক্ষিত গত ২০২৪ সালে আবারও আদালতের দ্বারস্থ হলে পুনরায় টাকা ফেরত দিতে জেলা প্রশাসনকে আদেশ দেন। তারপরও নাজিম উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব যোগসাজশ করে প্রাপ্য টাকা ফেরত ১০ শতাংশ হারে সাড়ে ৪ লাখ ঘুষ দাবি করেন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারিক হাকিম মো. আবদুর রহিমের আদালতের বাদী আবারও আবেদন করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ শাখার নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে আদালতের আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী প্রফেসর আখতার আলম জানান, তিনি আশা করছেন- আদালতের ন্যায়বিচার পাবেন।
শু/সবা